• facebook
  • twitter
Sunday, 12 April, 2026

প্রয়াত কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলে

মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৯২

প্রয়াত কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী  আশা ভোঁসলে। মত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। ১১ এপ্রিল, শনিবার সন্ধ্যায় বুকে সংক্রমণজনিত সমস্যার কারণে তাঁকে তড়িঘড়ি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভর্তি করার পরপরই চিকিৎসকরা জানান, তাঁর শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। ফলে তাঁকে দ্রুত আইসিইউ-তে স্থানান্তর করে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়।

প্রথমদিকে জানা গিয়েছিল, কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের জেরে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে পরে তাঁর নাতনি জানাই ভোঁসলে সামাজিক মাধ্যমে জানান, ক্লান্তি ও বুকে সংক্রমণের কারণেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তিনি অনুরোধ করেন, এই কঠিন সময়ে পরিবারের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা যেন সম্মান করা হয় এবং চিকিৎসার অগ্রগতির বিষয়ে পরে জানানো হবে।

Advertisement

সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা নাগাদ তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। জানা যায়, বাড়িতে হঠাৎ অসুস্থতা অনুভব করার পরই পরিস্থিতি গুরুতর হয়ে ওঠে এবং সঙ্গে সঙ্গেই তাঁকে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ চেষ্টার পরও শেষরক্ষা হয়নি। তাঁর মৃত্যুতে ভারতীয় সংগীত জগতে এক বিশাল শূন্যতার সৃষ্টি হল, যা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।

Advertisement

উল্লেখ্য, এর আগে গত জুলাই মাসে তাঁর মৃত্যুর একটি ভুয়ো খবর সামাজ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা পরে তাঁর পুত্র আনন্দ ভোঁসলে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে খণ্ডন করেছিলেন। সেই ঘটনার পর এবার সত্যিকারের এই দুঃসংবাদে স্তম্ভিত হয়ে পড়েছেন অনুরাগীরা। সঙ্গীতের এক স্বর্ণযুগের অবসান ঘটিয়ে তিনি রেখে গেলেন অসংখ্য অমর সৃষ্টির উত্তরাধিকার, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে যাবে।

সঙ্গীত শিল্পীর ছেলে আনন্দ ভোঁসলে রবিবার সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘আজ আমার মা মারা গিয়েছেন। আগামীকাল সকাল ১১টায় লোয়ার পারেলের কাসা গ্র্যান্ডে এসে তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে পারবেন সকলে। এখানেই তিনি থাকতেন। কাল বিকেল ৪টায় শিবাজি পার্কে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।‘

ভারতীয় চলচ্চিত্রের সবচেয়ে সফল ও জনপ্রিয় গায়িকাদের মধ্যে আশা ভোঁসলে অন্যতম। ১৯৩৩ সালে আদ্যন্ত এক সাঙ্গীতিক পরিবারে জন্ম নেওয়া আশা মাত্র ৯ বছর বয়সে পেশাদার গায়িকা হিসেবে যাত্রা শুরু করেন ১৯৪৩ সালেই প্রথম প্লেব্যাক করেছিলেন। দীর্ঘ কেরিয়ারে তিনি বিভিন্ন ভাষায় ১২ হাজারেরও বেশি গান রেকর্ড করেছেন। তিনি দু’বার জাতীয় পুরস্কার পান,’উমরাও জান’-এর ‘দিল চিজ কেয়া হ্যায়’ এবং ‘ইজাজত’-এর ‘মেরা কুছ সামান’ গানের জন্য।

Advertisement