• facebook
  • twitter
  • youtube
Monday, 27 July, 2026

গ্রেপ্তার তৃণমূল কাউন্সিলর স্বপন সমাদ্দার, ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ

মঙ্গলবার রাতে এক মহিলা নারকেলডাঙা থানায় স্বপন সমাদ্দারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন

গ্রেপ্তার তৃণমূল কাউন্সিলর স্বপন সমাদ্দার, ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ

Woman Arrest Photo-SNS

রাজ্যে পলাবদলের পর থেকে একের পর এক তৃণমূল কংগ্রেস নেতা-কর্মীরা গ্রেপ্তার হতে শুরু করেছে। সেটা হেভিওয়েট নেতা থেকে শুরু করে কাউন্সিলর কেউ বাদ যাচ্ছেন না। সুজিত বসু থেকে শুরু করে সব্যসাচী দত্ত, জাহাঙ্গির খান সকলেই এখন পুলিশের জালে। প্রত্যেকের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে। এবার সেই তালিকায় নয়া সংযোজন কাউন্সিলর স্বপন সমাদ্দার। ৫৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ রয়েছে। এবার তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এদিকে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন পরবর্তী হিংসা এবং তোলাবাজির অভিযোগের ভিত্তিতে স্বপন সমাদ্দারকে নারকেলডাঙা থানার পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের দিন রাতে বেলেঘাটায় বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকার খুনের ঘটনাতেও তিনি অন্যতম অভিযুক্ত। ২০২২ সালেও এলাকায় একটি ঝামেলাতেও কাউন্সিলরের নাম জড়িয়েছিল। স্থানীয় এক মহিলা নারকেলডাঙা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই নারকেলডাঙা থানার পুলিশ স্বপন সমাদ্দারের বাড়িতে হানা দেয়।

অন্যদিকে পুলিশ সূত্রে খবর, মঙ্গলবার রাতে এক মহিলা নারকেলডাঙা থানায় স্বপন সমাদ্দারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। ২০২২ সালের একটি মামলায় বুধবার ফুলবাগান এলাকা থেকে স্বপন সমাদ্দারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টা, ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করা, হেনস্থা এবং শ্লীলতাহানি, ভয় দেখানো, হুমকি দেওয়ার অভিযোগ আছে। একদিন আগেই  গ্রেপ্তার করা হয়েছিল ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুস্মিতা ভট্টাচার্য এবং তাঁর স্বামী সলিল চট্টোপাধ্যায়কে।

তাছাড়া তৃণমূল আমলেই অভিজিৎ খুনে কলকাতা পুরসভার ৫৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার স্বপন সমাদ্দারের নাম জড়ায়। ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে সিবিআই। তাতেই স্বপনের নাম উঠে আসে। উল্লেখ্য, ফেসবুক লাইভে এসে অভিজিৎ সরকার অভিযোগ করেছিলেন, তাঁর বাড়ি এবং পোষ্যদের উপর আক্রমণ হয়েছে। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অভিজিতের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। পরে অভিজিতের পরিবারের পক্ষ থেকে কলকাতা হাইকোর্টে সিবিআই তদন্তের দাবি জানানো হয়। আইনি লড়াইয়ের পর আদালতের নির্দেশে তদন্তভার যায় সিবিআইয়ের হাতে। সিবিআই যে তদন্ত রিপোর্ট পেশ করেছিল, তাতে নাম ছিল স্বপন সমাদ্দারের। এবার তিনি গ্রেপ্তার হওয়ায় খুশি অভিজিতের পরিবার। এই ঘটনার সঙ্গে তোলাবাজির অভিযোগও ছিল স্বপন সমাদ্দারের বিরুদ্ধে। এই মামলা দীর্ঘদিন পড়ে ছিল।