তারাপীঠ মন্দিরের (Tarapith Temple) কাছেই একটি পাঁচতলা হোটেলে ভয়াবহ আগুন (Fire) লাগে। আগুনে পুড়ে মৃত্যু কমপক্ষে নয়জন পুণ্যার্থীর। সোমবার ভোরে ‘বিদেশিনী’ (Bideshini Hotel) নামে ওই হোটেলের নিচতলায় আগুন (Fire) লাগে। বেশ কয়েক জন আহতও হয়েছেন। তাঁদের রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
তারাপীঠ থানার (Tarapith Police Station) ঢিলছোঁড়া দূরত্বে রয়েছে ‘বিদেশিনী’ (Bideshini Hotel) হোটেলটি। যখন ঘটনাটি ঘটে হোটেলের বহু আবাসিক সেই সময় ঘুমোচ্ছিলেন। তাঁদের মধ্যে শিশু এবং বয়স্করাও ছিলেন। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, শর্ট সার্কিট থেকে আগুন (Fire) লেগেছে। দ্রুত তা বিভিন্ন ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। হোটেল কর্তৃপক্ষের দাবি, ভোর সাড়ে ৪টে নাগাদ এনসিবি ফেটে আগুন ধরে যায়। মুহূর্তের মধ্যে হোটেলের সাজসজ্জায় ব্যবহৃত ফাইবারের সামগ্রীতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
আরও পড়ুন: হাঁটু-কোমর প্রতিস্থাপন এবার বিনামূল্যে, আয়ুষ্মান ভারত চালু করে ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
রামপুরহাট থানার পুলিশ (Rampurhat Police Station) এবং দমকলকে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল ও পুলিশ। কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। নিচতলায় আগুন (Fire) ছড়িয়ে পড়ায় অনেক আবাসিক ঘরের মধ্যে আটকে পড়েন। আতঙ্কে অনেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করলে ধোঁয়া ও আগুনের (Fire) মধ্যে মধ্যে পড়ে যান।
হোটেলের মালিক কল্যাণ পাল জানিয়েছেন, রাতপাহারার দায়িত্বে থাকা কর্মীরা আগুন (Fire) দেখতে পেয়েই অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র ব্যবহার করেন এবং বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। কিন্তু ততক্ষণে আগুন অনেকটা ছড়িয়ে পড়েছিল। পাঁচতলা পর্যন্ত ধোঁয়া পৌঁছে যাওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
আরও পড়ুন: ‘আশিস দাকে অবিরাম চাপের মুখে ফেলা হয়েছে’, সহকর্মীর প্রয়াণে বার্তা মমতার
হোটেলের উপরের তলাতেও বেশ কয়েক জন আবাসিক আটকে পড়েছিলেন। নিচে আগুন (Fire) থাকায় তাঁরা সহজে বেরোতে পারেননি। আতঙ্কে কেউ কেউ উপর থেকে জিনিসপত্র নিচে ফেলতে শুরু করেন। মালদহ ও আলিপুরদুয়ার থেকেও আসা কয়েক জন পুণ্যার্থী ওই হোটেলে ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। মৃতদের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। অগ্নিকাণ্ডের (Fire) সঠিক কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দুর্ঘটনার পর তারাপীঠে পুণ্যার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।




