• facebook
  • twitter
  • youtube
Wednesday, 7 October, 2026

রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের পরামর্শদাতা মিঠুন চক্রবর্তী, মিলবে পূর্ণমন্ত্রীর মর্যাদা

বাংলা চলচ্চিত্রের সঙ্গে মিঠুনের সম্পর্কের পাশাপাশি উত্তম কুমারের জন্মশতবর্ষ উদযাপনে তাঁর পরামর্শ নেওয়া হয়েছিল

রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের পরামর্শদাতা মিঠুন চক্রবর্তী, মিলবে পূর্ণমন্ত্রীর মর্যাদা

Mithun Chakraborty Photo-SNS

রাজ্য সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিযুক্ত হলেন বর্ষীয়ান অভিনেতা এবং বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী। পশ্চিমবঙ্গের তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের পরামর্শদাতা হিসেবে নিয়োগ করা হল তাঁকে। পূর্ণমন্ত্রীর সমান মর্যাদা পাবেন তিনি। বুধবার এই পদে মিঠুনকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়োগ করা হল। বহুদিন ধরে বিজেপির হয়ে প্রচার করে যাচ্ছেন তিনি। তৃণমূল কংগ্রেস সরকার থাকাকালীন সময় থেকে প্রচার করে চলেছেন তিনি। বারবার ব্যর্থ হলেও ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে অবশেষে সাফল্য আসে। ক্ষমতায় আসে বিজেপি। আর সেটারই পুরষ্কার যেন পেলেন বিশিষ্ট অভিনেতা।

এদিকে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এক নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে যে, জনস্বার্থে’ গৃহীত এই সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে মিঠুন চক্রবর্তীকে পূর্ণমন্ত্রী বা ক্যাবিনেট মন্ত্রীর সমান পদমর্যাদা দেওয়া হচ্ছে। রাজ্যপালের নির্দেশে এবং উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের পরেই এই পদমর্যাদা কার্যকর করা হচ্ছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তা বহাল থাকবে। বর্তমানে শুটিংয়ের কাজে আলিপুরদুয়ারে আছেন মিঠুন। সেখান থেকেই নতুন দায়িত্বের জন্য মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। গত সেপ্টেম্বর মাসে নিউটাউনে উত্তমকুমার ফিল্ম সেন্টারের শিলান্যাস অনুষ্ঠানে মিঠুনকে সাংস্কৃতিক উপদেষ্টা করার কথা জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সরকারি তথ্যেও ওই অনুষ্ঠানের উল্লেখ রয়েছে।

বাংলা চলচ্চিত্রের সঙ্গে মিঠুনের সম্পর্কের পাশাপাশি উত্তম কুমারের জন্মশতবর্ষ উদযাপনে তাঁর পরামর্শ নেওয়া হয়েছিল। পর্যটন সহ একাধিক ক্ষেত্রে তাঁর পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে বলে সূত্রের খবর। নয়া দায়িত্বে মিঠুনের সঙ্গে রাজ্যের সংস্কৃতি জগতের সমন্বয় আরও বাড়বে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। চলচ্চিত্র ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রে নীতি নির্ধারণ এবং বিভিন্ন উদ্যোগে তাঁর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে চাইছে সরকার। এর আগে নিউ টাউনের ফিল্ম সেন্টারের অনুষ্ঠানে মিঠুন বাংলা চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নতির জন্য রাজ্য থেকে ৩০ শতাংশ ভর্তুকির প্রস্তাবও দিয়েছিলেন।

তাছাড়া কয়েক মাস আগেই ‘বেঙ্গল ফুটবল অ্যাকাডেমি’ গড়ে তোলার বার্তা দিয়েছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী। অ্যাকাডেমি চালুর লক্ষ্যেই কয়েক মাস আগে দমদম এলাকায় প্রস্তাবিত মাঠ পরিদর্শন করা হয়েছিল। যেখানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বিধায়ক অরিজিৎ বক্সী-সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব।