• facebook
  • twitter
  • youtube
Sunday, 7 June, 2026

ইন্ডিয়া জোটের অস্তিত্ব শুধু কাগজে-কলমে, বাস্তবে জোটের কোনও অস্তিত্ব নেই কটাক্ষ শমীকের

ইন্ডিয়া জোটের বৈঠককেই হাস্যকর বলে কটাক্ষ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। ওই বৈঠক থেকে তৃণমূল রসদ পায় কিনা, সেটাই দেখার অপেক্ষায়।

প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র

রাজ্যের ক্ষমতা থেকে সরে যেতেই তৃণমূল কংগ্রেস  ভাঙন শুরু হয়ে গিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল বিধায়কদের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ আলাদা হয়ে গিয়েছে। তাই অস্তিত্বের সঙ্কটে পড়েছে ঘাসফুল শিবির। সূত্রের খবর, তৃণমূলের সাংসদদের মধ্যেও একটা আড়াআড়ি বিভাজন হতে চলেছে। এই আবহে শনিবার দিল্লি পৌঁছেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার তড়িঘড়ি রাজধানী পৌঁছলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। সোমবার ৮ জুন দিল্লিতে ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক। সেই বৈঠকেই যোগ দিতে তৃণমূল সুপ্রিমোর দিল্লি যাত্রা। ইন্ডিয়া জোটের সেই বৈঠককেই হাস্যকর বলে কটাক্ষ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।

সোমবারের ওই বৈঠক থেকে তৃণমূল ঘুরে দাঁড়ানোর রসদ পায় কিনা, সেটাই দেখার অপেক্ষায় রাজনৈতিক মহল। এরই মধ্যে শমীক রবিবার প্রশ্ন তুলেছেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেসের বিরুদ্ধে নির্বাচন লড়েছেন, তাহলে ইন্ডিয়া জোট কোথায়? এটা একেবারেই হাস্যকর বিষয়। আজ পর্যন্ত কখনও শুনেছেন যে ইন্ডিয়া জোটের সব দল মিলে একসঙ্গে যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন করছে? এটা শুধুমাত্র কাগজে-কলমে একটা জোট। বাস্তবে এই জোটের কোনও অস্তিত্ব নেই।’

এই মুহূর্তে তৃণমূল কংগ্রেসের যা অবস্থা তাতে তাদের দলীয় অস্তিত্ব বজায় রাখাই অত্যন্ত কঠিন বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। কারণ তৃণমূলের পরিষদীয় দল ইতিমধ্যেই ভেঙে গিয়েছে। এবার সংসদীয় দলও ভেঙে যেতে পারে বলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। এই আবহে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যর দাবি, ‘আগামী ২০ বছরে বিজেপিকে ক্ষমতা থেকে সরানো শুধু কঠিন নয়, একেবারে অসম্ভব।’ তবে গণতন্ত্রের জন্য শক্তিশালী বিরোধী পক্ষের প্রয়োজনীয়তার কথা স্বীকার করে নেন শমীক।  এ প্রসঙ্গে শমীক বলেন, ‘গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করতে একটি সক্ষম ও দায়িত্বশীল বিরোধী পক্ষের প্রয়োজন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে, বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতন্ত্র ভারতবর্ষে এখন কোনও যোগ্য বিরোধী পক্ষ নেই। ইন্ডিয়া জোটের অবস্থা দেখলেই সেটা স্পষ্ট হয়ে যায়। এক-একটা দল এক একদিকে টানছে, কোনও ঐক্য নেই, কোনও স্পষ্ট কর্মসূচি নেই। এরা দেশের উন্নয়নের কথা ভাবে না। বরং এরা দেশের উন্নয়নে বাধা দেয়। সে কারণেই রাজ্যে রাজ্যে বিরোধীদের দিক থেকে মুখ ফিরিয়েছেন মানুষ। কিন্তু তাতেও বিরোধীদের কোনও লজ্জা নেই।’