২০১৯ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি। ২ নম্বর লাউডন স্ট্রিট। তৎকালীন সিপি রাজীব কুমারের বাড়িতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সাত বছর পার। ২০২৬ সালের ৮ জানুয়ারি। ৭ নম্বর লাউডন স্ট্রিট। ফিরে এল সেই এক ফ্রেম। মাঝে সময় এবং পাঁচটি বাড়ির তফাৎ। দু’বারই বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর আকস্মিক ছুটে যাওয়া এবং রচিত হওয়া এক নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের।
সকাল থেকেই আইপ্যাকের দপ্তর ও সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈনের লাউডন স্ট্রিটের বাড়িতে তল্লাশি চালাচ্ছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। বেলা গড়াতেই খবর ছড়িয়ে পড়ে। দুপুর ঠিক ১২টা নাগাদ দেখা যায় জিপসি গাড়ির সারি, সিআরপিএফের জওয়ান, ইডির সাদা জ্যাকেট। এসব ভিড় ঠেলে ঢুকে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তেমন কোনও নিরাপত্তা বলয় ছাড়াই।
Advertisement
তার ঠিক মিনিট পাঁচেক আগেই সেখানে পৌঁছে গিয়েছিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ বর্মা। মিনিট দশেক বাদেই প্রতীকের বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন মুখ্যমন্ত্রী। হাতে ছিল একটি সবুজ ফাইল, একটি ল্যাপটপ আর একটি মোবাইলও। সেগুলি হাতে করে আগলে নিয়ে বাইরে এসে অমিত শাহকে আক্রমণ করে বলেন, ‘ওরা আমার দলের সমস্ত নথিপত্র বাজেয়াপ্ত করছিল। আমি সেগুলো নিয়ে এসেছি। ওই জঘন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। উনি দেশকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না। আমার দলের নথিপত্র বাজেয়াপ্ত করাচ্ছেন। আমি প্রতীককে ফোন করেছিলাম। ও আমার দলের ইনচার্জ। ওরা হার্ড ডিস্ক, ফোন সব নিয়ে নিচ্ছিল।’ বিজেপিকে নিশানা করে বলেন, ‘বিজেপির মতো এত বড় ডাকাত দেখনি।’
Advertisement
তিনি আরও বলেন, ‘ভোর থেকে অপারেশন চালু করেছে। সকাল ৬টার সময়ে এখানে এসেছে। আমাদের সঙ্গে চিটিং করলে, জুয়া খেললে মেনে নেব না।’ তিনি বিজেপির বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে এর পরে বলেন, ‘আমি যদি বিজেপির পার্টি অফিসে হানা দেওয়াই? সেটা ঠিক হবে?’ অভিযানের কারণ কী জানতে চাইলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি যখন খবর পেলাম যে এজেন্সি এসেছে, তখন খোঁজ নিলাম কেন এসেছে? তার পর শুনি আমাদের দলের ইলেকশন স্ট্র্যাটেজি লুট করতে এসেছে। এটা গণতন্ত্রে হতে পারে না। পার্টি অফিসে ঢুকে এটা করা যায় না। তার পর আমি আসার সিদ্ধান্ত নিই।’
রাজ্য সরকারের পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাক। কয়লাপাচার মামলায় দিল্লিতে নথিভুক্ত এক পুরনো মামলার জন্যই এই অভিযান বলে জানিয়েছে ইডি। ওই মামলায় বেশকিছু লেনদেনের সূত্রে আইপ্যাকের নাম এসেছে বলে ইডি সূত্রের খবর।একই মামলার সূত্র ধরে ইডি-র অন্য একটি দল যায় বড়বাজারের পোস্তায় এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়েই ইডি ওই অভিযান শুরু করে। আচমকা ওই অভিযানে আইপ্যাকের পুরো টিমই খানিকটা হকচকিয়ে যায়।
ভোরে যখন অভিযান শুরু হয়, তখন স্বাভাবিক ভাবেই আইপ্যাকের দপ্তরে বিশেষ কেউ ছিলেন না। ছিলেন নাইট ডিউটিতে কর্মরত কয়েক জন। তাঁদের সামনেই অভিযান শুরু হয়। সেক্টর ফাইভের একটি বহুতলের ১২ তলায় আইপ্যাকের দপ্তর। ওই তলাটি ‘সিল’ করে দেয় কেন্দ্রীয় বাহিনী। ফলে ওই দপ্তরে ঢোকা বা বেরোনো আপাতত বন্ধ হয়ে যায়। ইডি-র দল আইপ্যাক-এর দপ্তরে যখন থেকে তল্লাশি শুরু করে তখন থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী ঘিরে রেখেছিল। তার পরেই সেখানে বাহিনী বাড়াতে শুরু করে বিধাননগর পুলিশ কমিশনারটেও। মমতা যাওয়ার পরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা আরও বাড়ে। পাল্লা দিয়ে বাহিনী বাড়ায় বিধাননগর পুলিশও।
সল্টলেকে আইপ্যাক-এর দপ্তরে মুখ্যমন্ত্রী যাওয়ার আগেই পৌঁছে যান তৃণমূলের স্থানীয় নেতা-মন্ত্রীরা। বিধাননগরের মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী, বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী সুজিত বসুও যান। মমতা পৌঁছোনোর পরেই লিফট ধরে সোজা চলে যান সল্টলেক সেক্টর ফাইভের এই বহুতলের ১১ তলায়। ঘড়ির কাঁটায় যখন দুপুর ১২টা ৪৪ মিনিট, তখন আইপ্যাক-এর দপ্তরে যান মুখ্যমন্ত্রী।
সেখান থেকে প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা পরে বেরিয়ে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মমতা। তিনি জানান, তাঁর দলের নির্বাচনী কৌশলের তথ্য ‘ট্রান্সফার’ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। তাই তাঁর মতে ইডির এই হানা ‘অপরাধ’। তিনি নিশানা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে। তার পরেই মমতা আবার ঢুকে যান আইপ্যাকের দপ্তরে। তার আগে বলেন, ‘যত ক্ষণ প্রতীক না-আসছেন, যত ক্ষণ প্রতীক এসে অফিসে সেটল না-করছেন, তত ক্ষণ আমি এখানে অপেক্ষা করব।’ বৃহস্পতিবার বিকেল নাগাদ আইপ্যাকের দপ্তরে প্রতীক পৌঁছোলে প্রায় পৌনে চার ঘণ্টা পর সেখান থেকে বেরিয়ে যান মমতা। তিনি জানান, এই ‘হামলার প্রত্যুত্তর’ জনগণ দেবে।
সল্টলেকে আইপ্যাকের দপ্তরে যে ভবনে রয়েছে, তার বেসমেন্টে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মমতা। মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলের সর্বোচ্চ নেত্রী মমতা বলেন, ‘ভোটের স্ট্র্যাটেজি ছিনতাই করেছে। এসআইআরের কাজ চলছে। আমার দল মানুষকে সাহায্য করছে। ফরেন্সিক দলের মাধ্যমে আমাদের কাগজ, তথ্য সব ট্রান্সফার করেছে। ভোটের কাজ চলছে। ওরা সব তথ্য ট্রান্সফার করেছে। আমি মনে করি এটা অপরাধ।’ তিনি জানান, আইপ্যাক শুধু বেসরকারি সংস্থা নয়, সর্বভারতীয় তৃণমূলের ‘অথরাইজড টিম’।
তাঁর কথায়, ‘দপ্তর থেকে সব কাগজ নেওয়ার চেষ্টা করেছে। সব টেবিল ফাঁকা। সেই নথি আবার তৈরি করার প্রয়োজন পড়লে অনেক সময় লাগত। তত দিনে ভোট পেরিয়ে যেত। এই কাজ কি ঠিক হল?’ বিজেপিকে নিশানা করে বলেন, ‘বিজেপির মতো এত বড় ডাকাত দেখিনি।’ নিশানা করেন ইডিকেও। তিনি বলেন, ‘আমরা নথিভুক্ত রাজনৈতিক দল। আমরা কর দিই। অডিট হয়। প্রয়োজন থাকলে ইডি আয়কর দপ্তর থেকে কাগজ নিতে পারত। বিজেপি সবচেয়ে বড় অপরাধী। চোরেদের দল। ওরা বিজেপি-কে নোটিস পাঠায় না। ভোট এলে আয়কর দপ্তর আমাদের নোটিস পাঠায়।’
এখানেই থামেননি মমতা। তিনি বলেন, ‘ভোর থেকে অপারেশন চালু করেছে। সকাল ৬টার সময়ে এখানে শুরু হয়েছে, যখন অফিসে প্রায় কেউ ছিলেন না। আমাদের সঙ্গে চিটিং করলে, জুয়া খেললে মেনে নেব না।’ তিনি বিজেপির বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে এর পরে বলেন, ‘আমি যদি বিজেপির পার্টি অফিসে হানা দেওয়াই? সেটা ঠিক হবে?’
তিনি বিজেপি-কে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘একতরফা কিছু হয় না। এখনও চুপ রয়েছি। এত জ্বলার পরেও সহ্য করছি। এত প্রাণ যাওয়ার পরেও বিচারের অপেক্ষায় রয়েছি। সীমা লঙ্ঘন করেই চলেছে। তোমরা আমাদের তথ্যপ্রযুক্তি দপ্তরে ঢুকে তথ্য চুরি করেছ। আইপ্যাক আমাদের অথরাইজ করা। আমরা বিজেপির মতো বেআইনি কিছু করি না।’ তিনি জানান, এটা আসলে তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রকে অপমান। তাঁর প্রশ্ন, ‘এটা কি স্বাধীনতার খুন নয়?’ আইপ্যাকের কর্ণধার এবং তাঁদের দপ্তরে ইডি অভিযান নিয়ে প্রতিবাদ কর্মসূচির কথাও ঘোষণা করেছেন মমতা। তিনি বলেন, ‘ রাজ্য জুড়ে সব ব্লকে মিছিল, ওয়ার্ডে প্রতিবাদ মিছিল হবে লুটের বিরুদ্ধে।’
আই প্যাকের দপ্তর থেকে ফাইল নিয়ে যাওয়ার সময় তিনি বলেন, ‘ফাইলগুলি আমাদের। আমরা রেখেছি। আমাদের কাগজ। ছড়িয়েছিটিয়ে পড়েছিল। আমার দলের কাগজ। ফরেন্সিক দল এনে অনেক ট্রান্সফার করেছে। এফআইআর হবে। বহু পরামর্শ আসে আমাদের। সেগুলো জমিয়ে রাখি। ভোটের আগে কাজে লাগাই। অপরাধ করে ওরা নিয়ে নিয়েছে। ওরা ভোটের আগে আমাদের বিপাকে ফেলতে চাইছে, কিন্তু নিশ্চিত করছি, ওরাই বিপদে পড়বে।’
এসআইআর নিয়েও মমতা কটাক্ষ করেন কেন্দ্রীয় সরকারকে। তিনি জানিয়েছেন, ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’ দেখিয়ে ৫৪ লক্ষ ভোটারের নাম কাটা হয়েছে। নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেন, অভিনেতা দেব, কবি জয় গোস্বামীকেও নোটিস পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে আইপ্যাকের দপ্তর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় মমতা বলেন, ‘হামলার প্রত্যুত্তর জনগণ দেবে। গদি মিডিয়াকে কাজে লাগিয়েছে। গদি মিডিয়ার উপরেও নজর রাখছি। যাঁরা অসত্য কথা বলেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করার দায়িত্ব আমার।’
সল্টলেকে আইপ্যাক-এর দপ্তর থেকে বেরোতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়েন ইডির আধিকারিকেরা। সঙ্গে দেওয়া হয় ‘গো ব্যাক’ স্লোগান। ইডির উদ্দেশে ‘বিজেপির দালাল’ বলেও স্লোগান দিতে থাকেন তৃণমূলের কর্মী সমর্থকেরা। ওঠে ‘জয় বাংলা’ ধ্বনিও। ওই বিক্ষোভ এবং স্লোগানের মাঝেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তায় আইপ্যাক-এর দপ্তর ছাড়েন ইডির আধিকারিকেরা।
আইপ্যাক কর্ণধার প্রতীক জৈন সল্টলেকের সেক্টর ফাইভের দপ্তরে পৌঁছোনো পর্যন্ত সেখানেই ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রতীক পৌঁছোনোর পর আইপ্যাক-এর দপ্তর ছাড়েন তিনি। দিনভর তল্লাশির পরে সন্ধ্যায় ইডির আধিকারিকেরা আইপ্যাক-এর দপ্তর থেকে বেরোতেই তাঁদের গাড়ি ঘিরে ধরেন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকেরা। গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা। উঠতে থাকে স্লোগানও।
আইপ্যাকের দপ্তরে মুখ্যমন্ত্রী মমতার অভিযান নিয়ে হাইকোর্টে মামলা করল ইডি। মামলা দায়ের করতে চেয়ে হাইকোর্টের বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তারা। অনুমতি দেওয়া হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের ছ’টি এবং দিল্লির চারটি জায়গায় বেআইনি কয়লা পাচার মামলায় তল্লাশি চলছে বলে জানিয়েছে ইডি। সাংবিধানিক পদের অপব্যবহার করে দু’টি জায়গা থেকে নথি ছিনিয়ে নিয়ে গেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর পর হাইকোর্টে যায় কেন্দ্রীয় সংস্থা।
ইডি সমাজমাধ্যমে একটি বিবৃতি জারি করেছে। তাতে বলা হয়েছে, ‘ইডির সদর দপ্তরে ইউনিট আর্থিক তছরুপ প্রতিরোধ আইনে বেআইনি কয়লা পাচার মামলায় ১০টি জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে। অনুপ মাজি কয়লা পাচারের সিন্ডিকেট চালাতেন এবং পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গা থেকে চুরি করে বেআইনি ভাবে কয়লা বাইরে পাঠাতেন। শান্তিপূর্ণ ভাবেই তল্লাশি অভিযান চলছিল। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর প্রশাসনের আধিকারিক এবং পুলিশ কর্তাদের নিয়ে সেখানে চলে আসেন এবং জোর করে নথি, ডিজিটাল তথ্যপ্রমাণ নিয়ে চলে যান।’
ইডি আরও জানিয়েছে, তাদের তল্লাশি অভিযান তথ্যপ্রমাণভিত্তিক এবং কোনও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানকে এর মাধ্যমে নিশানা করা হয়নি। কোনও পার্টি অফিসে তল্লাশি চালানো হয়নি। এই তল্লাশির সঙ্গে কোনও নির্বাচনের সম্পর্ক নেই। সাধারণ আর্থিক তছরুপ মামলার বিরুদ্ধে এই অভিযান ছিল। আইন মেনে তল্লাশি চলছে।ইডির তল্লাশি অভিযানকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা করেছে আইপ্যাক কর্ণধার প্রতীক জৈনের পরিবার। মামলা করতে চেয়ে হাইকোর্টের বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তাঁরা। এই মামলা দায়েরেরও অনুমতি দিয়েছে আদালত।
ইডির তল্লাশি অভিযানের বিরোধিতা করে পাল্টা হাইকোর্টের চ্যালেঞ্জ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। মামলা করতে চেয়ে হাইকোর্টের বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে তারা। মামলা দায়েরের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার এই তিনটি মামলারই শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে করা এই মামলায় যুক্ত করা হয়েছে আইপ্যাক এবং ইডিকেও।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীকে নিশানা করেছেন তৃণমূল সাংসদ সাকেত গোখলে। শাহকে মাফিয়া বলে নিশানা করেছেন তিনি। রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র চরিতার্থ করতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইডিকে ব্যবহার করছে বলে আক্রমণ করেছেন তিনি। বিরোধীদের বিরুদ্ধেই ইডিকে ব্যবহার করার অভিযোগ তুলেছেন তিনি। কিন্তু পদ্ম শিবিরে যোগ দিলেই ওয়াশিং মেশিনে সব ধুয়ে যায় বলে কটাক্ষ তৃণমূল সাংসদের।
আইপ্যাকের দপ্তর এবং প্রতীক জৈনের বাড়িতে হানা প্রসঙ্গে ইডির বিবৃতি উল্লেখ করে এক্স হ্যান্ডেল পোস্ট করেছে পদ্ম শিবির। অথচ কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এক্স হ্যান্ডেলে সেই পোস্ট করেছে বিজেপির থেকে প্রায় ৩০ মিনিট পর। তবে কি ইডির বিবৃতি লেখা হয়েছে বিজেপি দপ্তরে? দু’পক্ষের বক্তব্য সমাজ মাধ্যমে শেয়ার করে সেই প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস।
Advertisement



