• facebook
  • twitter
  • youtube
Monday, 6 July, 2026

‘অন্নপূর্ণা’-য় বাদ প্রায় ২৮ লক্ষের নথি ফের যাচাইয়ের নির্দেশ নবান্নের

রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষস্তরের নির্দেশ, অস্থায়ীভাবে বাতিল হওয়া আবেদনকে চূড়ান্ত বাতিল হিসেবে ধরা যাবে না। প্রত্যেকটা আবেদন ভালো করে খতিয়ে দেখতে হবে। পরে সুপারিশ পোর্টালে তা আপলোড করতে হবে।

‘অন্নপূর্ণা’-য় বাদ প্রায় ২৮ লক্ষের নথি ফের যাচাইয়ের নির্দেশ নবান্নের

Photo: File Photo

রাজ্যে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরেই বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পে নিজেদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রাখতে শুরু করেছে। জুলাই মাসের শুরুতেই এই প্রকল্পে আবেদনকারী অনেকের অ্যাকাউন্টে ইতিমধ্যেই টাকা ঢুকে গিয়েছে। কিন্তু এরকম অনেকেই রয়েছেন, যাদের অ্যাকাউন্টে এখনও এই প্রকল্পের নির্ধারিত অর্থ ঢোকেনি। শুধু তাই নয়, অনেকের আবেদন আবার খারিজও হয়ে গিয়েছে। এরকম খারিজ হয়ে যাওয়া প্রায় ২৮ লক্ষ আবেদনকে ফের নতুন করে যাচাই করার সিদ্ধান্ত নিল নবান্ন।

জানা গিয়েছে, নবান্নের তরফে সব জেলাশাসকের কাছে এই বিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই ৫ জুলাই থেকে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। সাত দিনের মধ্যে পুরো প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রায় ২৮ লক্ষ আবেদনকারীর মধ্যে যাঁরা এই প্রকল্পে আর্থিক সহায়তা পাওয়ার যোগ্য, তাঁদের আধার সংযুক্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে দ্রুত টাকা পাঠানোর কাজ শেষ করার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

সূত্রের খবর, রাজ্য সরকার চাইছে অস্থায়ীভাবে খারিজ হওয়া কোনও আবেদনকারীর মধ্যে কেউ যদি যোগ্য উপভোক্তা হন, তাহলে তিনি যেন এই প্রকল্প থেকে বঞ্চিত না হন। রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষস্তরের নির্দেশ, অস্থায়ীভাবে বাতিল হওয়া আবেদনকে চূড়ান্ত বাতিল হিসেবে ধরা যাবে না। প্রত্যেকটা আবেদন ভালো করে খতিয়ে দেখতে হবে। পরে সুপারিশ পোর্টালে তা আপলোড করতে হবে।

তবে শুধু অনলাইন নয়, অফলাইনে যাঁরা আবেদন করেছেন, তাঁদেরও আবেদন ডিজিটাইজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অফলাইনের ক্ষেত্রেও প্রত্যেকটা আবেদনকে আলাদাভাবে যাচাই করে বাতিলের সুপারিশ কারণ-সহ নির্দিষ্ট পোর্টালে আপলোড করতে হবে। জনকল্যাণ শিবিরে জমা পড়া যে আবেদনগুলি এখনও ডিজিটাইজ হয়নি, সেগুলিকে আগে ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নবান্ন সূত্রের খবর, কোনও আবেদনকারীর ব্যাঙ্কের সঙ্গে আধার সংযুক্ত না থাকার কারণে টাকা পাঠানো যায়নি। সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের সঙ্গে জেলা প্রশাসনকে যোগাযোগ করে সমস্যা সমাধানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আবার অনেক পরিবারের কোনও সদস্য আয়কর দিলে তাঁদের আবেদন বাতিল করা হয়েছে। অন্যদিকে, যাঁদের বাড়িতে তিনটির বেশি পাকা বাড়ি রয়েছে, এরকম আবেদনকারীদেরও আবেদন অস্থায়ীভাবে খারিজ করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, নবান্নের তরফে নির্দেশ দেওয়ার পরেই যে সকল আবেদনকারীর অ্যাপ্লিকেশন স্টেটাস পোর্টালে বাতিল দেখাচ্ছিল, তাঁদের আবেদন বর্তমানে যাচাইয়ের পর্যায়ে রয়েছে।