অগ্নিমিত্রা পাল তাঁর বার্তায় বলেন, চিকিৎসক হিসেবে তাঁর বাবার প্রতি সাধারণ মানুষের যে অকৃত্রিম ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা রয়েছে, তা তাঁকে গর্বিত করে। তাঁর মতে, এই সম্মান কেবল একজন সফল চিকিৎসকের জন্য নয়, বরং একজন সৎ, বিনয়ী, সহৃদয় এবং মানবিক মানুষের দীর্ঘদিনের নিঃস্বার্থ সেবার স্বীকৃতি।তিনি আরও জানান, ছোটবেলা থেকেই বাবার কর্মনিষ্ঠা, শৃঙ্খলা, মানবসেবার মানসিকতা এবং মানুষের প্রতি গভীর সহমর্মিতা তাঁকে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে অনুপ্রাণিত করেছে।
অসুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো, বিপদের সময় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া এবং পেশাকে শুধুমাত্র জীবিকা নয়, সমাজসেবার মাধ্যম হিসেবে দেখার শিক্ষা তিনি বাবার কাছ থেকেই পেয়েছেন।মন্ত্রী বলেন, চিকিৎসকের পেশা শুধু একটি পেশা নয়, এটি মানুষের জীবন রক্ষার এক মহান দায়িত্ব। সমাজের প্রতি চিকিৎসকদের এই আত্মনিবেদন ও কর্তব্যবোধ সবসময়ই অনুকরণীয়। সেই কারণেই চিকিৎসকদের প্রতি মানুষের ভালোবাসা ও সম্মান চিরকাল অটুট থাকবে।
বার্তার শেষে বাবার সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও মঙ্গল কামনা করে অগ্নিমিত্রা পাল লেখেন, ‘বাবা, তোমাকে জানাই অন্তরের গভীরতম শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা। তোমার আদর্শ ও শিক্ষা আমার জীবনের পথচলার সবচেয়ে বড় শক্তি। শুভ চিকিৎসক দিবস।’ জাতীয় চিকিৎসক দিবসে অগ্নিমিত্রা পালের এই আবেগঘন বার্তা সমাজমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। তাঁর অনুরাগী ও শুভানুধ্যায়ীরাও চিকিৎসক সমাজের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শুভেচ্ছা বার্তা জানিয়েছেন।




