সামনেই কালীপুজো। তার আগে বাজি বিক্রির চাহিদা বাড়ছে। এর মধ্যে নিম্নচাপ ও বৃষ্টির জেরে বিপাকে হাওড়ার বাগনানের বাজি প্রস্তুতকারকরা। বৃষ্টির জন্য বাজি শুকোতে দেরি হচ্ছে। এর ফলে একের পর এক কাজ আটকে থাকছে। এর ফলে কালীপুজোর আগে বিভিন্ন দোকানে বরাতের বাজি সময়মতো পৌঁছে দেওয়া যাবে কি না, সেটা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
বাজি তৈরির পর সেটা শুকিয়ে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। বাজি শুকানোর জন্য পর্যাপ্ত রোদের দরকার। কিন্তু কয়েক দফা নিম্নচাপের জেরে তা আর হচ্ছে না। আগুনশী এলাকার প্রলয় ফায়ার ওয়ার্কসের কর্ণধার গুরুদাস সাউ জানিয়েছেন, বাজি তৈরি করে তা যদি শুকোনো না যায়, তাহলে উৎপাদনের স্বাভাবিক গতি বজায় রাখা যাচ্ছে না।
সেই সঙ্গে কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি নিয়েও প্রস্তুতকারকরা চিন্তায় পড়েছে। গুরুদাসের আশঙ্কা, বাজির বিক্রির দামে এর প্রভাব পড়তে পারে। তাঁদের এই ব্যবসা ৪০ বছরেরও বেশি পুরনো। সরকারি নিয়ম মেনেই তাঁরা বাজি তৈরি করেন। প্রয়োজনীয় শংসাপত্রও রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এখনও সরকারি নিয়ম ও শংসাপত্র ছাড়াই আড়ালে বাজি তৈরি করে বাজারে বিক্রি করছেন।
আরও পড়ুন: কিউআর কোড স্ক্যান করলেই মিলবে অবৈধ বাজির খোঁজ, কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে পুলিশ
বেআইনি বাজি তৈরির বিরুদ্ধে প্রশাসনিক নজরদারি বাড়ানোর দরকার বলে তিনি মনে করেন। বাজি কারিগর শ্রীকান্ত গায়েনেরও একই সমস্যা। বছরে তিন মাস এই শিল্পে কাজের সুযোগ মেলে। সেই সময়তেও বৃষ্টি ও নিম্নচাপের কারণে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। কালীপুজোর আগে বিভিন্ন দোকানে পণ্য সরবরাহের বরাত রয়েছে। আবহাওয়ার উন্নতি না হলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেই কাজ শেষ করা কঠিন হয়ে পড়বে।




