• facebook
  • twitter
Wednesday, 4 February, 2026

আমেরিকা থেকে পি-৮আই সাবমেরিন বিধ্বংসী বিমান কিনতে ৩০০ কোটি ডলারের চুক্তির পথে ভারত

অত্যাধুনিক রাডার, সেন্সর এবং ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থায় সজ্জিত এই বিমান সমুদ্রের গভীরে থাকা সাবমেরিনের গতিবিধিও চিহ্নিত করতে সক্ষম।

ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক উষ্ণ হওয়ার আবহে দুই দেশের মধ্যে প্রায় ৩০০ কোটি মার্কিন ডলারের একটি বড় প্রতিরক্ষা চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার পথে। এই চুক্তির আওতায় ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য পি-৮আই সাবমেরিন বিধ্বংসী যুদ্ধবিমান কেনা হতে পারে বলে সরকারি সূত্রের খবর। সমুদ্রপথে নজরদারি ও শত্রু সাবমেরিন শনাক্তকরণে এই বিমানগুলি ভারতীয় নৌবাহিনীর ক্ষমতা আরও বহুগুণ বাড়াবে বলে মনে করা হচ্ছে।

সূত্রের দাবি, ভারত ও মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই এই চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছিল। সাম্প্রতিক কূটনৈতিক ও সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ফলে সেই আলোচনা এখন বাস্তব রূপ পেতে চলেছে। চুক্তিটি সম্পন্ন হলে ভারতীয় নৌবাহিনীর হাতে থাকা পি–এইট–আই বিমানের বহর আরও শক্তিশালী হবে। ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নজরদারি ব্যবস্থায় বড়সড় সুবিধা মিলবে।

Advertisement

প্রসঙ্গত, পি-৮–আই বিমান মূলত দীর্ঘ পাল্লার সামুদ্রিক নজরদারি, শত্রু সাবমেরিন সনাক্তকরণ ও ধ্বংসের জন্য ব্যবহৃত হয়। অত্যাধুনিক রাডার, সেন্সর এবং ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থায় সজ্জিত এই বিমান সমুদ্রের গভীরে থাকা সাবমেরিনের গতিবিধিও চিহ্নিত করতে সক্ষম। বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্রমবর্ধমান সামুদ্রিক চ্যালেঞ্জের মুখে এই ধরনের বিমান ভারতের প্রতিরক্ষা প্রস্তুতিকে আরও মজবুত করবে।

Advertisement

ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সাম্প্রতিক বছরগুলিতে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। যৌথ সামরিক মহড়া, প্রযুক্তি বিনিময় এবং অস্ত্র কেনাবেচার ক্ষেত্রে দুই দেশই একে অপরের উপর আস্থা বাড়িয়েছে। এই প্রস্তাবিত চুক্তি সেই পারস্পরিক বিশ্বাসেরই আর একটি উদাহরণ বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল।

যদিও এখনও চুক্তির চূড়ান্ত ঘোষণা হয়নি, তবে দুই পক্ষের আলোচনার অগ্রগতি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে খুব শীঘ্রই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হতে পারে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই চুক্তি শুধু সামরিক শক্তি বৃদ্ধিই নয়, বরং ভারত–মার্কিন কৌশলগত সম্পর্ককে আরও গভীর করবে।

Advertisement