পরীক্ষাকেন্দ্রের গেটে দায়িত্বে থাকা শিক্ষক অ্যাডমিট কার্ড দেখতে চাইলে কাগজ দেখান ওই ছাত্র। কার্ডটি দেখে শিক্ষকের সন্দেহ হয়। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে বসিয়ে রাখা হয় প্রধান শিক্ষকের ঘরে। দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদের পর শিক্ষকরা নিশ্চিত হন, নকল অ্যাডমিট কার্ড নিয়েই পরীক্ষা দিতে এসেছে ওই প্রাক্তন ছাত্র।
Advertisement
মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদের জেলা মনিটরিং কমিটির আহ্বায়ক সুভাষ হাজরা জানান, ধৃত পরীক্ষার্থীকে খড়্গপুর টাউন থানার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তবে ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।
Advertisement
ইন্দা কৃষ্ণলাল শিক্ষা নিকেতনের প্রধান শিক্ষক পার্থ ঘোষ বলেন, নবম শ্রেণিতে ফেল করার পর ছাত্রটি আর স্কুলে আসেনি। সে দশম শ্রেণিতে ওঠেনি, ফর্ম ফিলআপও করেনি। তাই অ্যাডমিট কার্ড পাওয়ার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই পরীক্ষাকেন্দ্রে কিছু সময়ের জন্য চাঞ্চল্য ছড়ায়, যদিও দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। ঘটনায় তদন্ত চালাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।
Advertisement



