• facebook
  • twitter
Sunday, 19 April, 2026

প্রথম দফার ভোটের আগে উদ্বেগ বাড়ছে ট্রাইব্যুনালে আবেদনকারীদের

ট্রাইবুনালে যাওয়ার জন্য ১৫ দিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল সর্বোচ্চ আদালত

প্রতীকী চিত্র

ভোটগ্রহণের দিন যত এগিয়ে আসছে, জেলায় জেলায় ‘ডিলিটেড’ বা তালিকা থেকে বাদ পড়া ভোটারদের মধ্যে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা ততই বাড়ছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরেও প্রশাসনিক জটিলতায় কার্যত দিশেহারা জেলার ‘ডিলিটেড’ ভোটাররা।

নাম বাদ পড়া কয়েক লাখ ভোটারকে তাঁদের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারে ট্রাইবুনালে যাওয়ার জন্য ১৫ দিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল সর্বোচ্চ আদালত। ইতিমধ্যেই প্রশাসনের কাছে সরাসরি কয়েক লাখ আবেদন জমা পড়েছে।  অনলাইনেও জমা পড়েছে বহু আবেদন। কিন্তু সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে কী অগ্রগতি হয়েছে, তা এখনও জানতে পারেননি ডিলিটেড ভোটাররা।

Advertisement

এবার এসআইআর প্রক্রিয়ায় নদিয়া জেলায় বাদ পড়েছে প্রায় আড়াই লক্ষ মহিলা ভোটারের নাম। অন্য জেলাগুলিতেও কমবেশি একই চিত্র। প্রতিটি জেলাতেই উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে মহিলা ভোটারের সংখ্যা।  মাত্র চারদিন পর প্রথম দফার ভোটগ্রহণ। প্রথম দফায় যাঁদের ভোট দেওয়ার কথা, মঙ্গলবারের মধ্যে তাঁদের আবেদনগুলির নিষ্পত্তি কীভাবে হবে, তা নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন ডিলিটেড ভোটাররা।

Advertisement

বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন নাম বাদ পড়া ভোটাররা। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকেই কাঠগড়ায় তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। তাদের অভিযোগ, বিজেপিকে সুবিধা পাইয়ে দিতে নির্বাচন কমিশনই একের পর এক তুঘলকি সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে কমিশন যতই চেষ্টা করুক বাংলায় বিজেপির হার তারা ঠেকাতে পারবে না। অন্যদিকে, বিজেপির পাল্টা দাবি, তৃণমূল ভোটার তালিকায় বহু ভুয়ো ভোটারের নাম ঢুকিয়ে রেখেছিল। তাদের নাম বাদ পড়তেই আতঙ্কে ভুগছে।

Advertisement