জয়প্রকাশ মজুমদারের অভিযোগ ছিল, কালীঘাট থানার বর্তমান ওসি গৌতম দাস নিজের হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাসে একটি ছবি পোস্ট করেছিলেন। সেই ছবিতে তাঁকে পুলিশ ইউনিফর্ম পরে অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র হাতে থানার চেয়ারে বসে থাকতে দেখা যায়। ছবির সঙ্গে দেওয়া ক্যাপশনে লেখা ছিল—’নতুন দায়িত্বের জন্য প্রস্তুত।’ যদিও পরে সেই পোস্টটি মুছে ফেলা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে জয়প্রকাশ সরাসরি অভিযোগ জানিয়েছেন জ্ঞানেশ কুমার, মনোজ আগারওয়াল এবং অজয় নন্দ-এর কাছে।
Advertisement
Advertisement
জয়প্রকাশ মজুমদার মনে করেন, এই পোস্ট সাধারণ মানুষের মনে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করতে পারে। তাই বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি। তাঁর মতে, আইন ভঙ্গের মতো এই ধরনের আচরণ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এরপরে ঘটনায় কমিশনের তরফে রিপোর্ট তলব করা হয়। তারপরেই লালবাজারের তরফে গৌতম দাসকে সাসপেন্ড করা হয়। উল্লেখ্য, দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে কালীঘাট থানার ওসি পদে বদল আনা হয়েছিল। সেই প্রেক্ষাপটে এই ঘটনা আরও বেশি তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
Advertisement



