• facebook
  • twitter
  • youtube
Tuesday, 14 July, 2026

মঙ্গলবার থেকে রাজ্যজুড়ে শুরু ‘অরণ্য সপ্তাহ’ কর্মসূচি, পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের পরামর্শ মুখ্যমন্ত্রীর

১৪ জুলাই থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত চলবে এই বৃক্ষরোপণ অভিযান

মঙ্গলবার থেকে রাজ্যজুড়ে শুরু ‘অরণ্য সপ্তাহ’ কর্মসূচি, পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের পরামর্শ মুখ্যমন্ত্রীর

Image: SNS

শিল্প ও বাণিজ্যের প্রসারের পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণেও সমান গুরুত্ব দেওয়ার বার্তা দিল রাজ্য সরকার। মঙ্গলবার সল্টলেকের বনবিতানে নিজের হাতে গাছের চারা রোপন করে ‘অরণ্য সপ্তাহ ২০২৬’-এর সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, উন্নয়নের সঙ্গে পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখাই সরকারে লক্ষ্য।

এদিন বনমন্ত্রী মনোজ ওঁরাওয়ের উদ্যোগে রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলপড়ুয়াদের হাতে ১ কোটি ১০ লক্ষ চারাগাছ তুলে দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘একটি গাছ মায়ের নামে’ কর্মসূচি থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে রাজ্যেও বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য, রাজ্যজুড়ে বনসৃজনের মাধ্যমে সবুজায়ন আরও বাড়িয়ে তোলা।

মঙ্গলবার সকালে বনবিতানে পৌঁছে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিজে গর্ত খুঁড়ে গাছের চারা রোপণ করেন। অনুষ্ঠানে তাঁর সঙ্গে ছিলেন বন ও পরিবেশমন্ত্রী মনোজ ওঁরাও, মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল,স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়-সহ প্রশাসনের একাধিক শীর্ষ আধিকারিক। ১৪ জুলাই থেকে আগামী ২০ জুলাই পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে চলবে ‘অরণ্য সপ্তাহ’।

অনুষ্ঠানে পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বজ্রপাতের ঝুঁকি কমাতে আরও বেশি করে নারকেল গাছ লাগানো উচিত। একই সঙ্গে তিনি জানান, রাজ্য সরকার এ বছর ব্যাপক হারে বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা নিয়েছে এবং সেই কর্মসূচিতে স্কুলপড়ুয়াদেরও যুক্ত করা হয়েছে। প্রত্যেকের হাতে একটি করে চারাগাছ তুলে দেওয়া হয়েছ। যা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘মায়ের নামে একটি গাছ’ কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

বনদপ্তারের কাজে প্রশংসা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বনমন্ত্রী মনোজ ওঁরাও অত্যন্ত দায়িত্বশীলভাবে কাজ করছেন। পাশাপাশি তিনি জানান, বনদপ্তরে কর্মীর ঘাটতি রয়েছে এবং চলতি বছরের মধ্যেই সেই শূন্যপদ পূরণ করা হবে। ভবিষ্যতে বনদপ্তরে নিয়োগের দায়িত্ব পুলিশ রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে বলেও জানান তিনি।

বনকর্মীদের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা, নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনও কারণ নেই। তাঁর দাবি, আগের সরকার এই ক্ষেত্রে সেভাবে কার্যকরী উদ্যোগ নেয়নি। তবে বর্তমান সরকার কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয়ে সমস্ত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে।