• facebook
  • twitter
  • youtube
Wednesday, 1 July, 2026

ভোট-পরবর্তী হিংসা মামলায় গ্রেপ্তারি এড়াতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ অনুব্রত

তদন্ত চলাকালীন সম্ভাব্য গ্রেপ্তার এড়াতে অনুব্রত মণ্ডল সিউড়ি জেলা আদালতে আগাম জামিনের আবেদন জানান। তবে নিম্ন আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেয়।

ভোট-পরবর্তী হিংসা মামলায় গ্রেপ্তারি এড়াতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ অনুব্রত

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল সংখ্যায় আসন পেয়ে তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় ফিরেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু রাজ্যজুড়ে একের পর এক হিংসার ঘটনা ঘটায় কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল। তৎকালীন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই এবং রাজ্য পুলিশের হাতেই এইসব মামলার তদন্তভার তুলে দিয়েছিলেন।

কলকাতা হাইকোর্টের সেই নির্দেশ মেনেই তদন্ত শুরু করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই এবং রাজ্য পুলিশ। সেই সূত্রে একটি পুরনো মামলায় সিউড়ি জেলা আদালতে আগাম জামিনের আবেদন জানিয়েছিলেন বীরভূমের কেষ্ট। সিউড়ি আদালত আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দেন। গ্রেপ্তারি এড়াতেই বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বীরভূমের তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল। চলতি সপ্তাতেই এই মামলার শুনানি হতে পারে।

আদালত সূত্রের খবর, শান্তিনিকেতন থানায় এক ব্যবসায়ী অনুব্রত মণ্ডল-সহ মোট ১৩ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর একদল দুষ্কৃতী বোমা ও আগ্নেয়াস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তাঁর ইটভাটা থেকে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার ইট লুঠ করেছে। অভিযোগকারীর দাবি, গোটা ঘটনাটি অনুব্রত মণ্ডলের নির্দেশে করা হয়েছে। এর পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, ঘটনার পর প্রাণনাশের আশঙ্কায় তিনি ব্যবসা ছেড়ে এলাকা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন।

অভিযোগের ভিত্তিতে শান্তিনিকেতন থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করে। তদন্ত চলাকালীন সম্ভাব্য গ্রেপ্তার এড়াতে অনুব্রত মণ্ডল সিউড়ি জেলা আদালতে আগাম জামিনের আবেদন জানান। তবে নিম্ন আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেয়।

আগাম জামিনের আবেদন খারিজ হওয়ায় তদন্তকারী সংস্থা প্রয়োজন মনে করলে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় গ্রেপ্তারির পদক্ষেপ নিতে পারে। এই পরিস্থিতিতে আইনি সুরক্ষা চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের শরণাপন্ন হয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল।