• facebook
  • twitter
  • youtube
Sunday, 8 November, 2026

অর্জুনের শতরানেও রক্ষা হল না, অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে ভারতকে হারাল পাকিস্তান

বড়দের ক্রিকেটে সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একের পর এক সাফল্য পেয়েছে ভারত। কিন্তু অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে সেই দাপট দেখাতে

অর্জুনের শতরানেও রক্ষা হল না, অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে ভারতকে হারাল পাকিস্তান

বড়দের ক্রিকেটে সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একের পর এক সাফল্য পেয়েছে ভারত। কিন্তু অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে সেই দাপট দেখাতে পারল না ছোটরা। ব্যাটিং বিপর্যয়ে পাকিস্তানের কাছে হারল ভারতীয় দল। অর্জুন রাজপুতের দুরন্ত শতরানও বাঁচাতে পারল না দলকে। উল্টোদিকে, পাল্টা অপরাজিত শতরান করে পাকিস্তানের জয়ের নায়ক হামজা জাহুর।

প্রথমে ব্যাট করে ২০৮ রানেই গুটিয়ে যায় ভারত। জবাবে শুরুতে ৬১ রানে ৫ উইকেট হারিয়েও ম্যাচে ফেরে পাকিস্তান। সাত নম্বরে ব্যাট করতে নেমে হামজার অপরাজিত শতরানের সুবাদে ৩ উইকেটে জয় পায় তারা। হাতে ছিল ১১ বল।

টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ভারতের অধিনায়ক লক্ষ্য রাইচান্দানি। কিন্তু শুরু থেকেই পাকিস্তানের পেসার আলি রাজা ও রিজওয়ানুল্লাহর দাপটে চাপে পড়ে ভারতীয় ব্যাটিং। প্রথম চার ব্যাটারের কেউই বড় রান পাননি। অধিনায়ক লক্ষ্য ফেরেন শূন্য রানে।

আগের ম্যাচে বড় রান করা বীরেন্দ্র সহবাগের ছেলে আর্যবীর ২২ রান করে আউট হন। রান পাননি রাহুল দ্রাবিড়ের ছেলে অন্বয়ও। তাঁর সংগ্রহ মাত্র ১০ রান।

সেখান থেকে ভারতকে লড়াইয়ে ফেরান অর্জুন রাজপুত। পাঁচ নম্বরে নেমে শুরু থেকেই পাল্টা আক্রমণ করেন তিনি। মাত্র ৮০ বলে শতরান পূর্ণ করেন। শেষ পর্যন্ত ৮৫ বলে ১০৭ রান করে আউট হন অর্জুন। তাঁর ইনিংসে ছিল ১১টি চার ও পাঁচটি ছক্কা।

তবে অন্য প্রান্ত থেকে যোগ্য সঙ্গী পাননি অর্জুন। শেষ দিকে কাব্য পটেলের ২৩ রানের ইনিংসে ভারতের রান ২০০ পেরোয়। ৪৬.৩ ওভারে ২০৮ রানে অল আউট হয়ে যায় দল। পাকিস্তানের হয়ে আলি রাজা, রিজওয়ানুল্লাহ ও নিকাব শফিক তিনটি করে উইকেট নেন।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি পাকিস্তানেরও। ভারতীয় বোলার ঈশান সুদ, মোহিত উলবা ও মনল চৌহানের দাপটে মাত্র ৬১ রানে পাঁচ উইকেট হারায় তারা। একটা সময় মনে হচ্ছিল, ২০৮ রানও তাড়া করতে পারবে না পাকিস্তান।

কিন্তু সেখান থেকেই ম্যাচের রং বদলে দেন সাত নম্বরে নামা হামজা জাহুর। হুসনইন আব্বাস দারের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলের হাল ধরেন তিনি। আব্বাস ৬৭ বলে ৩৮ রান করেন। দু’জনের জুটিতে ওঠে ১০৭ রান। সেই জুটিই পাকিস্তানের জয়ের ভিত গড়ে দেয়।

অর্জুনের মতো ভুল করেননি হামজা। ক্রিজে থিতু হওয়ার পর নিজের উইকেট ধরে রেখে লক্ষ্যের দিকে এগিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত ১০৮ বলে অপরাজিত ১০০ রান করেন তিনি। ৪৯তম ওভারের প্রথম বলে চার মেরে পাকিস্তানের জয় নিশ্চিত করার পাশাপাশি শতরানও পূর্ণ করেন।

এই জয়ের ফলে গ্রুপ এ-র শীর্ষে উঠে গেল পাকিস্তান। দু’ম্যাচে তাদের সংগ্রহ চার পয়েন্ট। দুই পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে ভারত। গ্রুপের শেষ ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির মুখোমুখি হবে ভারত। সেমিফাইনালে উঠতে হলে সেই ম্যাচে জিততেই হবে তাদের।