পেট্রোলে নির্ধারিত সীমার চেয়ে বেশি ইথানল মেশানো হচ্ছে। এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুললেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তাঁর দাবি, কর্নাটকের সাতটি জেলা থেকে সংগ্রহ করা পেট্রোলের ১৪টি নমুনার মধ্যে ১১টিতেই ইথানলের পরিমাণ ২০ শতাংশের বেশি পাওয়া গিয়েছে। শনিবার এক্স হ্যান্ডলে এই অভিযোগ তুলে কেন্দ্রীয় সরকারকে কাঠগড়ায় তুলেছেন তিনি।
রাহুলের দাবি, একটি পরীক্ষাগারে নমুনাগুলি পরীক্ষা করা হয়েছিল। সেখানে ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন (IOCL) এবং হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম (HPCL)-এর নমুনায় ৩১.২ শতাংশ ও ৩০.৫ শতাংশ ইথানল পাওয়া গিয়েছে। বেঙ্গালুরু, কোলার, চিক্কাবল্লাপুরা, বেঙ্গালুরু গ্রামীণ, রামনগর, মেঙ্গালুরু ও তুমাকুরু জেলা থেকে নমুনাগুলি সংগ্রহ করা হয়েছিল। ভারত পেট্রোলিয়াম (BPCL), নায়ারা এনার্জি ও শেলের পেট্রোলের নমুনাও পরীক্ষার আওতায় ছিল বলে দাবি রাহুলের।
এই প্রসঙ্গে কেন্দ্রকে কটাক্ষ করে রাহুল লিখেছেন, ‘ই২০ (E20) হয়ে গিয়েছে ৪২০’। তাঁর অভিযোগ, নির্ধারিত ২০ শতাংশের বেশি ইথানল মিশিয়ে সাধারণ মানুষের গাড়ির ক্ষতি করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে রাহগুল প্রশ্ন তুলেছেন ঠিক কতটা ইথানল মেশানো হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে কবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
E20 बना 420 – जनता की गाड़ी से पेट्रोल चोरी!
मोदी सरकार कहती है – पेट्रोल में 20% एथेनॉल है। कर्नाटक सरकार ने 7 ज़िलों से पेट्रोल के सैंपल लेकर मान्यता प्राप्त लैब में जाँच करवाई।
नतीजा देखिए
– 14 में से 11 सैंपल में 20% से ज़्यादा एथेनॉल
– IOCL में 31.2%, HPCL में 30.5%
– IOCL, HPCL, BPCL, Nayara, Shell – सरकारी हों या प्राइवेट – सब सीमा से ऊपर
– और कंपनियों की अपनी लैब ने एथेनॉल की मात्रा रिपोर्ट में लिखी ही नहींमतलब आप पैसा महंगे पेट्रोल का दे रहे हैं, टंकी में एथेनॉल भरा जा रहा है। नुकसान किसका? आपका।
आपकी गाड़ी इतना एथेनॉल पचाने के लिए बनी ही नहीं – मतलब, घटता माइलेज, बार-बार मैकेनिक। शौक से ली गई गाड़ी की बर्बादी।
और पंप पर लिखा तक नहीं कि टंकी में क्या डाला जा रहा है – चुनने का कोई विकल्प नहीं।
मोदी जी, बताइए – देश की टंकी में क्या भरा जा रहा है? पेट्रोल में असल में कितना एथेनॉल है? 20% से ज़्यादा मिलावट करने वाली कंपनियों पर कार्रवाई कब होगी?
और डिबेट की चुनौती अब भी खड़ी है। ये मुद्दा भी जोड़ लेंगे – आपकी नीतियों से असल में फ़ायदा किसे हो रहा है?
— Rahul Gandhi (@RahulGandhi) November 7, 2026
কর্নাটক সরকারের তরফেও এর আগে একই অভিযোগ তোলা হয়েছিল। রাজ্যের খাদ্য ও গণবন্টন মন্ত্রী রিজওয়ান আরশাদ জানিয়েছিলেন, বেঙ্গালুরুর এনএবিএল স্বীকৃত ও আইএসও-সার্টিফায়েড শ্রীরাম রিসার্চ ইনস্টিটিউটে পরীক্ষায় একাধিক নমুনায় ২০ শতাংশের বেশি ইথানল পাওয়া গিয়েছে। সরকারি সংস্থাগুলির নিজস্ব পরীক্ষাগারে প্রয়োজনীয় তথ্য না মেলায় স্বাধীন পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে দাবি রাজ্যের।
তবে আইওসিএল (IOCL), বিপিসিএল (BPCL) ও এইচপিসিএল (HPCL) এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। যৌথ বিবৃতিতে সংস্থাগুলির দাবি, দেশে সরবরাহ করা ই২০ পেট্রোল ব্যুরো অফ ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডাস (Bureau Of Indian Standards)-এর আইএস ১৭০২১ (IS 17021) মানদণ্ড মেনেই তৈরি। কর্নাটকে নমুনা সংগ্রহের পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে তারা। সংস্থাগুলির দাবি, পরীক্ষার সম্পূর্ণ রিপোর্ট, নমুনা ও প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত তথ্য না থাকায় ফলাফল স্বাভাবিকভাবেই যাচাই করা সম্ভব নয়।
ই২০ পেট্রোল বলতে ২০ শতাংশ পর্যন্ত ইথানল মিশ্রিত জ্বালানিকে বোঝায়। অপরিশোধিত তেলের আমদানি নির্ভরতা কমানো, দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও দেশীয় ইথানল উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই প্রকল্প চালু করেছে কেন্দ্র।
তবে বেশি ইথানল মিশ্রিত জ্বালানিতে মাইলেজ কমা ও পুরোনো গাড়ির যন্ত্রাংশের ক্ষতির আশঙ্কা নিয়ে ইতিমধ্যেই বিতর্ক রয়েছে। কর্নাটকের এই ঘটনা ঘিরে এবার পেট্রোলের গুণমান, পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও গ্রাহত সুরক্ষা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।




