• facebook
  • twitter
  • youtube
Thursday, 29 October, 2026

পাকিস্তানে অ্যাম্বুল্যান্সের ভিতরে অক্সিজেন সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, মৃত অন্তত ১০

পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের থরপারকার জেলার একটি হাসপাতালে অ্যাম্বুল্যান্সের ভিতরে অক্সিজেন সিলিন্ডার বিস্ফোরণে অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

পাকিস্তানে অ্যাম্বুল্যান্সের ভিতরে অক্সিজেন সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, মৃত অন্তত ১০

পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের থরপারকার জেলার একটি হাসপাতালে অ্যাম্বুল্যান্সের ভিতরে অক্সিজেন সিলিন্ডার বিস্ফোরণে অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর দগ্ধ হয়েছেন আরও কয়েকজন। তাঁদের মধ্যে হাসপাতালের কর্মী, রোগী ও তাঁদের আত্মীয়রা রয়েছেন। বৃহস্পতিবার পুলিশ ও উদ্ধারকর্মীরা জানিয়েছেন, বুধবার রাতে নাগরপারকার উপজেলার দানো ধান্ধাল এলাকার একটি সরকারি চিকিৎসাকেন্দ্রে এই দুর্ঘটনা ঘটে। সমাজমাধ্যম ও টেলিভিশন চ্যানেলে প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, একটি দরজা খোলা অবস্থায় একটি গাড়ি আগুনে পুড়ছে। আরেকটি ছবিতে একটি ভবনের বাইরে গাড়িটির পোড়া কাঠামো দেখা যায় এবং আশেপাশে কিছু লোকজনকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।পুলিশ সূত্রে খবর, রোগীদের অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরের প্রস্তুতি চলছিল। সেই সময় অ্যাম্বুল্যান্সের ভিতরে অক্সিজেন সিলিন্ডার সংযোগ করার সময় বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে গাড়িটিতে। দগ্ধ কয়েকজনকে চিকিৎসার জন্য মিঠি হাসপাতালে পাঠানো হয়।নিহতদের মধ্যে ৩ জনের পরিচয় জানা গিয়েছে। তাঁরা হলেন জাসওয়ান্ত, অ্যাম্বুল্যান্স চালক ইসহাক থেবো এবং পান্ধি রাজর। বাকিদের দেহ আগুনে পুড়ে যাওয়ায় পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। প্রাথমিকভাবে অক্সিজেন সিলিন্ডার বিস্ফোরণ থেকেই আগুনের সূত্রপাত বলে মনে করছে পুলিশ। তবে দুর্ঘটনার অন্য সম্ভাব্য কারণও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এদিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, থরপারকারের সরকারি চিকিৎসাকেন্দ্রগুলিতে পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধার অভাব রয়েছে। এই দুর্ঘটনার পিছনে হাসপাতালের পরিকাঠামোগত ঘাটতির কোনও ভূমিকা ছিল কি না তাও খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে। পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আসিফ আলি জারদারি ঘটনায় শোক প্রকাশ করে দ্রুত ও স্বচ্ছ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন।

সিন্ধু প্রদেশের থারপারকার জেলায় গত রাতে এই বিস্ফোরণটি ঘটেছে বলে জানিয়েছেন জেলা পুলিশ প্রধান আরিফ আজিজ। তিনি বলেন, নিহতদের মধ্যে একটি চিকিৎসা কেন্দ্রের কর্মী, রোগী এবং তাদের আত্মীয়স্বজন রয়েছেন। স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা খলিল আবরো বলেছেন, রোগীদের অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করার সময় বিস্ফোরণটি ঘটে। রাষ্ট্রপতি আসিফ আলী জারদারি এই মৃত্যুতে দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং এর কারণ নির্ণয়ের জন্য দ্রুত ও স্বচ্ছ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন বলে তার কার্যালয় থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।তিনি এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার জন্য কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান, নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন।আগস্টে ইসলামাবাদের পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অফ মেডিকেল সায়েন্সেসের একটি নার্সারিতে এয়ার কন্ডিশনার বিস্ফোরণের ফলে সৃষ্ট আগুনে ১৪টি নবজাতকের মৃত্যু হয়। নার্সারিটি থেকে উদ্ধার হওয়া একমাত্র শিশুটি কয়েক সপ্তাহ পরে মারা যায়, ফলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৫ হয়। পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের থরপারকার জেলার একটি হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরে অক্সিজেন সিলিন্ডার বিস্ফোরণে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় গুরুতর দগ্ধ হয়েছেন আরও পাঁচজন। তাদের মধ্যে হাসপাতালের কর্মীরাও রয়েছেন।পুলিশ ও উদ্ধারকর্মীদের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য ডন। উদ্ধারকর্মীরা জানান, থরপারকারের নাগরপারকার উপজেলার দানো ধান্ধাল এলাকায় পিপলস প্রাইমারি হেলথকেয়ার ইনিশিয়েটিভ (পিপিএইচআই) পরিচালিত একটি হাসপাতালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। রোগীদের অন্যত্র নেওয়ার প্রস্তুতি চলছিল। এ সময় অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরে অক্সিজেন সিলিন্ডার সংযোগ দেওয়ার সময় সেটি বিস্ফোরিত হয়। মুহূর্তেই অ্যাম্বুলেন্সে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।এ ঘটনায় আগুনে পুড়ে সাতজন মারা যান। গুরুতর দগ্ধ পাঁচজনকে চিকিৎসার জন্য মিঠিতে পাঠানো হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, অক্সিজেন সিলিন্ডার বিস্ফোরণ থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। নিহত ও আহতদের মধ্যে রোগী এবং হাসপাতালের কর্মীরা রয়েছেন।উদ্ধারকর্মীরা নিহত তিনজনের পরিচয় শনাক্ত করেছেন। তারা হলেন জাসওয়ান্ত, অ্যাম্বুলেন্সচালক ইসহাক থেবো ও পান্ধি রাজর। বাকি নিহতদের মরদেহ আগুনে মারাত্মকভাবে পুড়ে যাওয়ায় তাদের পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।এদিকে, থরপারকারে পিপিএইচআই পরিচালিত হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধার অভাব রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের দাবি, হাসপাতালগুলোর সীমিত সুযোগ-সুবিধাও এ দুর্ঘটনার পেছনে ভূমিকা রেখে থাকতে পারে। পুলিশ জানিয়েছে, অক্সিজেন সিলিন্ডার বিস্ফোরণের বিষয়টি ছাড়াও দুর্ঘটনার অন্য সম্ভাব্য কারণগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।