• facebook
  • twitter
  • youtube
Saturday, 24 October, 2026

ফেসবুক লাইভে শুভেন্দুকে কুরুচিকর মন্তব্যের অভিযোগ, ব্যান্ডেল থেকে গ্রেফতার প্রৌঢ়

সমাজমাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে উদ্দেশ্য করে অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগে গ্রেফতার এক প্রৌঢ়। ঘটনাটি

ফেসবুক লাইভে শুভেন্দুকে কুরুচিকর মন্তব্যের অভিযোগ, ব্যান্ডেল থেকে গ্রেফতার প্রৌঢ়

প্রতীকী চিত্র

সমাজমাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে উদ্দেশ্য করে অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগে গ্রেফতার এক প্রৌঢ়। ঘটনাটি হুগলির ব্যান্ডেলের। ধৃতের নাম কার্তিক বণিক। এলাকায় তিনি বাবু নামে পরিচিত। ফেসবুক লাইভে মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য করার অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে চুঁচুড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করে বিজেপি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তাঁকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ব্যান্ডেলের হেমন্ত বসু কলোনির বাসিন্দা কার্তিক। প্রতিবেশীদের দাবি, পাড়ার আড্ডা থেকে চায়ের দোকান—বিভিন্ন জায়গায় মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করতেন তিনি। তবে এ বার সরাসরি ফেসবুক লাইভে এসে এমন মন্তব্য করবেন, তা ভাবতে পারেননি এলাকার অনেকেই।

অভিযোগ, ফেসবুক লাইভে মুখ্যমন্ত্রী সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য করেন কার্তিক। এর পরেই তাঁর বিরুদ্ধে পুলিশের দ্বারস্থ হয় বিজেপি। দলের হুগলি সাংগঠনিক জেলার তথ্যপ্রযুক্তি সেলের নেতা শাশ্বত বন্দ্যোপাধ্যায় চুঁচুড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে তদন্তে নেমে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এই গ্রেফতারি নিয়ে মুখ খুলেছেন বিজেপির হুগলি সাংগঠনিক জেলা সভাপতি গৌতম চট্টোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারী পাঁচ মাসে যে কাজ করেছেন, তার জন্য মানুষের আশীর্বাদ পাচ্ছেন তিনি। গৌতমের অভিযোগ, তৃণমূলের অনেকেই বর্তমানে কাজ হারিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে গালিগালাজ করাকেই নিজেদের কাজ করে নিয়েছেন। পুলিশ ও প্রশাসনের কাছে এই ধরনের ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তিনি।

অন্যদিকে, স্থানীয়দের একাংশের দাবি, কার্তিক তৃণমূলকে সমর্থন করতেন। তবে তিনি দলের সক্রিয় কর্মী কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি কেউই। ধৃতের অবশ্য দাবি, মত্ত অবস্থায় তিনি ওই মন্তব্য করে ফেলেছেন। এর জন্য তিনি দুঃখিত। কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে তাঁর যোগ নেই বলেও দাবি করেছেন কার্তিক।

তবে সমাজমাধ্যমে করা মন্তব্যের জেরেই এই গ্রেফতারি কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে এলাকায়। পুলিশের তরফে তদন্তের বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।