যন্তর মন্তরের বন্ধ গেট টপকে ভিতের ঢুকে জাতীয় পতাকা মেলে ধরলেন ককরোচ জনতা পার্টি(CJP)-র দুই শীর্ষনেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস। মঙ্গলবার সকালে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফের তাঁদের আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। তাঁদের সঙ্গে আটক করা হয়েছে সিজেপির (CJP) আরও কয়েক জন সমর্থককে। পুলিশ সূত্রে খবর, আইনভঙ্গের অভিযোগে সিজেপি (CJP) নেতাদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হতে পারে।
প্রাথমিক ভাবে খবর, দিল্লিতে নীতীশ কুমারের জেডিইউ কার্যালয়ের দিকের গেট টপকে যন্তর মন্তরে (Jantar Mantar) প্রবেশ করেন আশুতোষ ও সৌরভ। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন সিজেপি (CJP) নেতা অজিঙ্ক শিন্ডেও। তিন নেতা-সহ অন্য সমর্থকদেরও আটক করে পুলিশ।
আরও পড়ুন: রাহুলের বাড়িতে বিকেলে চা-চক্র, জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলনের রূপরেখা তৈরিতে বৈঠক
সোমবারই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ করায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে দিল্লি পুলিশ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনে একটি কমিটি তৈরি করা হয়েছে। সেই কমিটির সুপারিশে এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। যন্তর মন্তরের পরিবর্তে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচির জন্য তিনটি জায়গা নির্দিষ্ট করা হয়েছে—রামলীলা ময়দান, বুরাড়ি মাঠ এবং পূর্ব দিল্লির সিবিডি এলাকা। এ বার থেকে ওই তিন জায়গাতেই কর্মসূচি আয়োজন করতে হবে।
Fortress Jantar Mantar has been breached https://t.co/hUlskpMhEc
— Ashutosh Ranka (@AshutoshRanka) October 13, 2026
সোমবার শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের অনুমতি চাইতে পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় গিয়েছিলেন সৌরভ ও আশুতোষেরা। পুলিশ অনুমতি না-দিলে ফের আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে জানিয়েছিলেন সিজেপি (CJP) নেতার। যন্তর মন্তরে (Jantar Mantar) বিক্ষোভে নিষেধাজ্ঞা জারি করার পরেই সমাজমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেন দলের প্রধান অভিজিৎ দীপকে। তাঁর বক্তব্য, যন্তর মন্তরকে (Jantar Mantar) আর প্রতিবাদের জায়গা থাকতে দেওয়া হচ্ছে না। তাঁর অভিযোগ, ‘ভীতু একনায়ক’-এর কারণে এই জায়গা যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল। এখন গোটা দেশই যন্তর মন্তর (Jantar Mantar) হয়ে উঠবে। এর পরের দিনই যন্তর মন্তরে (Jantar Mantar) ঢুকে আটক হলে দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সৌরভ ও আশুতোষ।
আরও পড়ুন: উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে এসআরএফটিআইয়ে অনির্দিষ্টকালের অবস্থান পড়ুয়াদের
ভোটার তালিকায় কারচুপির অভিযোগ তুলে এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া বন্ধ রাখা এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে শনিবার যন্তর মন্তরে (Jantar Mantar) বিক্ষোভের ডাক দিয়ে সিজেপি (CJP)। ওই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। আন্দোলনকারীদের জমায়েতে যোগ দেওয়া আটকাতে দিল্লিগামী ২৪০টি ট্রেন বাতিল এবং ৪৫টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা হয়েছিল।
শনিবার বিক্ষোভকারীদের যন্তর মন্তরের (Jantar Mantar) কাছে যেতে দেয়নি পুলিশ। বিভিন্ন জায়গায় জমায়েতের চেষ্টা হলে আন্দোলনকারীদের আটক করা হয়। সিজেপি (CJP) একে ১৯৭৫ সালের জরুরি অবস্থার সঙ্গে তুলনা করে।কেন সিজেপিকে যন্তর মন্তরে (Jantar Mantar) বিক্ষোভের অনুমতি দেওয়া হয়নি, রবিবার তার ব্যাখ্যা দেন দিল্লি পুলিশের ডেপুটি কমিশনার নেহা যাদব। চলতি বছরের ২৮ এপ্রিল দিল্লি পুলিশের একটি নির্দেশিকায় যন্তর মন্তরকে (Jantar Mantar) প্রতিবাদের নির্দিষ্ট স্থান হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। রবিবার ১১ অক্টোবর সেই নির্দেশিকায় বদল আনা হল।
দেখুন:




