• facebook
  • twitter
  • youtube
Monday, 12 October, 2026

যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের অনুমতি চেয়ে পুলিশে আবেদন সিজেপির, সোমবার থানায় যাচ্ছেন সিজেপি নেতারা

পুলিশের অনুমতি নিয়ে যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ কর্মসূচি করতে চান তাঁরা

যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের অনুমতি চেয়ে পুলিশে আবেদন সিজেপির, সোমবার থানায় যাচ্ছেন সিজেপি নেতারা

Image: SNS

দিল্লির যন্তর মন্তরে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের অনুমতি চেয়ে পুলিশের কাজে আবেদন জানাচ্ছে ককরোচ জনতা পার্টি। (CJP) । সোমবার সকাল ১০টায় দলের তিন শীর্ষ নেতা পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় গিয়ে এই আবেদন জানাবেন বলে খবর। পুলিশের অনুমতি নিয়ে যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ কর্মসূচি করতে চান তাঁরা।

রবিবার রাতে সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করে এ কথা জানান সিজেপি (CJP)-র যুগ্ম আহ্বায়ক আশুতোষ রাঙ্কা। তিনি জানান, তাঁর সঙ্গে দলের অপর দুই যুগ্ম আহ্বায়ক সৌরভ দাস ও রত্না সিংও থানায় যাবেন। আশুতোষের কথায়, ‘যন্তর মন্তরে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের জন্য সময় চেয়ে আমরা তিনজন এবং সিজেপি (CJP)-র অন্য নেতারা পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় যাবে।‘

আরও পড়ুন: দিল্লির থানা থেকে অবশেষে তিন সিজেপি নেতার মুক্তি, আন্দোলন জারি থাকবে হঁশিয়ারি ককরোচদের

তবে পুলিশ অনুমতি না দিলে ফের বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন আশুতোষ। তাঁর বক্তব্য, ‘দিল্লি পুলিশ যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের জন্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যে একটি দিন স্থির করে দিতেই পারে। না হলে আমরা নিজেরাই বিক্ষোভের ডাক দেব।‘ অর্থাৎ অনুমতি না মিললে পুলিশের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই ফের আন্দোলনে নামার পথে হাঁটতে পারে সিজেপি।

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি শনিবার যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দেয় সিজেপি (CJP)। ওই কর্মসূচিকে ঘিরে আগে থেকেই কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করে দিল্লি পুলিশ। আন্দোলনকারীদের দিল্লিতে পৌঁছনো আটকাতে দিল্লিগামী ২৪০টি ট্রেন বাতিল করা হয়। পাশাপাশি বন্ধ রাখা হয় ৪৫টি মেট্রো স্টেশন।

শনিবার আন্দোলনকারীরা যন্তর মন্তরে পারেনি। বিভিন্ন জায়গায় জমায়েত করার চেষ্টা হলে চলে ধরপাকড়। আটক করে আন্দোলনকারীদের নিয়ে যাওয়া হয় আটকশিবিরে। এই পুলিশি পদক্ষেপের সঙ্গে ১৯৭৫ সালে ইন্দিরা গান্ধার আমলে জারি হওয়া জরুরি অবস্থার তুলনা টানে সিজেপি।

শনিবারের ঘটনার পর সাংবাদিক বৈঠক করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ‘স্বৈরাচারী’ বলে আক্রমণ করেন সৌরভ ও আশুতোষ। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকেও ‘আসল দেশদ্রোহী’ বলে কটাক্ষ করেন তাঁরা। জ্ঞানেশ কুমারকে রক্ষা করতে বিজেপি কেন এত তৎপর তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন সিজেপির (CJP) নেতারা।

এদিকে সিজেপিকে বিক্ষোভের অনুমতি না দেওয়ার কারণ রবিবার ব্যাখ্যা করেন দিল্লি পুলিশের ডেপুটি কমিশনার নেহা যাদব। গত জুলাই মাসে নিটের প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ করেছিল সিজেপি। সেবার অনুমতি দেওয়া হলেও আন্দোলনকারীদের একাংশ আইন মেনে চলেননি বলে তিনি জানান।  অতীতের অভিজ্ঞতা থেকেই আইনশৃঙ্খলার কথা মাথায় রেখেই এ বার সিজেপির কর্মসূচিতে অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে জানান তিনি।

দেখুন: গ্রেপ্তারের পর ফোন ব্যবহারে বাধা, দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে সরব CJP প্রতিষ্ঠাতা