• facebook
  • twitter
  • youtube
Wednesday, 30 September, 2026

দামি ফোন, সোনার চেন কিনতে এক মাসের সন্তান বিক্রির অভিযোগ মহারাষ্ট্রে, ধৃত ৭

দামি মোবাইল ফোন ও সোনার গয়না কেনার জন্য এক মাসের সন্তানকে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকায় বিক্রি করার অভিযোগ উঠল মহারাষ্ট্রের

দামি ফোন, সোনার চেন কিনতে এক মাসের সন্তান বিক্রির অভিযোগ মহারাষ্ট্রে, ধৃত ৭

দামি মোবাইল ফোন ও সোনার গয়না কেনার জন্য এক মাসের সন্তানকে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকায় বিক্রি করার অভিযোগ উঠল মহারাষ্ট্রের ছত্রপতি সম্ভাজিনগরের এক দম্পতির বিরুদ্ধে। পুলিশ জানিয়েছে, ওই দম্পতির কাছ থেকে শিশুটিকে নেওয়ার পর আরও তিনবার হাতবদল হয়। শেষ পর্যন্ত শিশুটিকে হায়দরাবাদে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখান থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় শিশুটির মা-বাবা-সহ মোট ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশের দাবি, ছত্রপতি সম্ভাজিনগরের মুকুন্দওয়াড়ি এলাকায় লিভ-ইন সম্পর্কে থাকা যোগেশ কাম্বলে ও বন্দনা কাম্বলের সন্তান জন্মের প্রায় এক মাস পর বিক্রি করা হয়। গত ৫ জুলাই শিশুটির জন্মের পর তাকে বিক্রির জন্য বন্দনা তাঁর সহকর্মী কৌশল্যা পাওয়ারের সাহায্য চান বলে তদন্তে জানা গিয়েছে। কৌশল্যা তাঁর মেয়ে সীমা রেশওয়ালের সঙ্গে বন্দনার যোগাযোগ করিয়ে দেন। এরপর সীমার কাছে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকায় শিশুটিকে তুলে দেন বন্দনা ও যোগেশ।

এর পর শিশুটিকে আরও তিনবার বিক্রি করা হয় বলে পুলিশের দাবি। সীমা ২ লক্ষ ৭০ হাজার টাকায় শিশুটিকে তাঁর আত্মীয় সঙ্গীতা আভাদের কাছে বিক্রি করেন। সঙ্গীতা শিশুটিকে নিয়ে নান্দেড়ে যান এবং সেখানে সুরেশ রাজরাম গুন্টুকার কাছে সাড়ে ৩ লক্ষ টাকায় তুলে দেন বলে অভিযোগ। গুন্টুকা নিজেকে চিকিৎসক বলে পরিচয় দিয়েছিলেন বলে তদন্তে জানা গিয়েছে। পরে তিনি শিশুটিকে একই দামে হায়দরাবাদে থাকা তাঁর আত্মীয় উমা খাটকমের কাছে দেন।

পুলিশ জানিয়েছে, শিশুটিকে বিক্রি করে পাওয়া ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা দিয়ে তার মা-বাবা একটি ২৫ হাজার টাকার মোবাইল ফোন এবং প্রায় ৬২ হাজার টাকার সোনার গয়না কিনেছিলেন। সেই মোবাইল ও গয়নাও পুলিশ বাজেয়াপ্ত করেছে।

পুলিশের তদন্ত শুরু হওয়ার পর হায়দরাবাদ থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে শিশু কল্যাণ কমিটির নির্দেশে একটি অনুমোদিত শিশুযত্ন প্রতিষ্ঠানে রাখা হয়েছে। এই ঘটনার পিছনে আরও বড় কোনও আন্তঃরাজ্য শিশু পাচারচক্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।