আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial Intelligence)-এর নাম এখন থেকে সুপার ইন্টেলিজেন্স (Super Intelligence)। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে এখন এই নামেই পরিচিত হবে এআই। মঙ্গলবার আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত একাধিক প্রযুক্তিবিদ এবং টেক সংস্থার সিইও-দের সঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্প বৈঠক করেন। সেই বৈঠকের পর এমনটা ঘোষণা করেন ট্রাম্প।
এদিন এই সংক্রান্ত একটি এক্সিকিউটিভ অর্ডারে সই করে এআই-এর নাম বদল করে এসআই করার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন আমেরিকার রাষ্ট্রপতি। ট্রাম্পের সই করা এই অর্ডারে বলা হয়েছে, সুপার ইন্টেলিজেন্স শব্দটি এই প্রযুক্তিকে আরও ভালো ভাবে তুলে ধরতে সাহায্য করবে। সেই অর্ডারে বলা হয়েছে, এই প্রযুক্তি আরও উন্নত হচ্ছে। সেই সঙ্গে এক সুপার ইন্টেলিজেন্ট যুগ যে আসতে চলেছে তাও নির্দেশ করছে।
ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত প্রযুক্তি জগতের একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তি সমর্থন করেছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন গুগলের সিইও সুন্দর পিচাই, অ্যানথ্রপিকের দারিয়া আমোদেই, মেটার সিইও মার্ক জুকারবার্গ, ওপেনএআইয়ের গ্রেগ ব্রকম্যান, ইলন মাস্ক ও এনভিডিয়ার সিইও জেনসেন হুয়াং।
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প জানান, এআই-কে এখন থেকে এসআই হিসেবে উল্লেখ করা হবে। তাঁর দাবি, ‘বিশ্বের সবথেকে মহান ও বুদ্ধিমান ব্যক্তিরা একত্রিত হয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।’ প্রযুক্তিবিদ্যার ভাষায় সুপার ইন্টেলিজেন্স বলতে এমন এক ধরনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে বোঝানো হয়, যা মানুষের তুলনায় সব ধরনের বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতায় উচ্চতর হবে।
আরও পড়ুন: মাঝআকাশে তেল আভিভগামী বিমানে বিপদ সংকেত, ইজরায়েলে আতঙ্কের ছায়া
এই নির্দেশের মাধ্যমে প্রেসিডেন্টের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সহকারীকে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে সুপার ইন্টেলিজেন্সের সংজ্ঞা নির্ধারণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এআই-এর নাম পরিবর্তনের এই ঘোষণা এমন এক সময়ে এল, যখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত অগ্রগতি নিয়ে বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তির গতি ও নিরাপত্তা নিয়ে নানা আলোচনা চলছে।




