দলবদলের বাজারে শেষলগ্নে চমক দিল ইস্টবেঙ্গল। জামশেদপুর এফসির অভিজ্ঞ অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার রেনিয়ার রেমন্ড ফার্নান্দেজকে এক বছরের চুক্তিতে সই করালো তারা। রবিবার সরকারি ভাবে লাল-হলুদের পক্ষ থেকে এই কথা ঘোষণা করা হল। যারফলে, আইএসএল শুরুর আগে ইস্টবেঙ্গলের মাঝমাঠের শক্তি আরও বাড়ল তা বলাই বাহুল্য। জাতীয় দলের হয়ে খেলা রেনিয়ার এবছর ডুরান্ড কাপে জামশেদপুর এফসির হয়ে দুরন্ত হ্যাটট্রিক করেছিলেন। জানা গিয়েছে, এরপরেই তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল লাল-হলুদ ম্যানেজমেন্ট।
মাঝমাঠে খেললেও প্রতিপক্ষের বক্সে ঢুকে গোল করার দক্ষতা রেনিয়ারের বড় অস্ত্র। এর আগে মুম্বাই সিটি এফসি, এফসি গোয়া, ওড়িশা এফসি এবং জামশেদপুরের হয়ে আইএসএলে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। এখনও পর্যন্ত দেশের শীর্ষ লিগে ১২৫টি ম্যাচ খেলেছেন রেনিয়ার। জিতেছেন আইএসএল কাপ, লিগ শিল্ড এবং সুপার কাপ। জাতীয় দলের জার্সিতেও খেলেছেন তিনি। পাশাপাশি কলকাতার ময়দানও তাঁর অচেনা নয়। এর আগে মোহনবাগানের হয়ে আই লিগে ১৯টি ম্যাচ খেলেছিলেন রেনিয়ার। ফলে শহরের ফুটবল সংস্কৃতি এবং প্রত্যাশার চাপের সঙ্গে তাঁর একটা পূর্ব পরিচয় রয়েছে।
এসবের মাঝেই জামশেদপুরের ওপর খেলোয়াড় মহম্মদ সানানকে ঘিরে জল্পনাও তুঙ্গে। শনিবার ফুটবল প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়ার বর্ষসেরা উদীয়মান ফুটবলারের পুরস্কার হাতে নিয়ে সানান বলেছেন, আগামী মরসুমে বর্ষসেরা ফুটবলার হওয়াই তাঁর লক্ষ্য। ইস্টবেঙ্গলে যোগদানের আলোচনা বেশ খানিকটা এগোলেও এখনই তা নিয়ে মুখ খুলতে চাননি তিনি। তবে কলকাতায় আসার সম্ভাবনাও একেবারে উড়িয়ে দেননি। বরং, ঘনিষ্ট মহলে নাকি সানান লাল-হলুদে খেলার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এমনকি, শনিবার তাঁর এজেন্টও ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে এসেছিলেন বলেই জানা গিয়েছে। শোনা যাচ্ছে, লাল-হলুদের পক্ষ থেকে তাঁকে বেশ বিরাট অঙ্কের আর্থিক প্রস্তাব দেওয়ার পাশাপাশি চার বছরের চুক্তি করার কথা বলা হয়েছে। ফলে বিরাট কোনও পরিবর্তন না হলে ইস্টবেঙ্গল যে সানানের পরবর্তী গন্তব্য, তা বলাই বাহুল্য। এদিকে, ফুটবল প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়ার বিচারে বর্ষসেরা পুরুষ ও মহিলা দলের স্বীকৃতি পেল ইস্টবেঙ্গল।




