• facebook
  • twitter
  • youtube
Sunday, 23 August, 2026

৫.৯ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল পূর্ব জাপান, জখম অন্তত ৩০

ভূমিকম্পের পরে কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা পর্যালোচনায় সরকার একটি টাস্কফোর্স গঠন করেছে। প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি জানিয়েছেন, গোটা পরিস্থিতির উপরে নজর রাখা হচ্ছে।

৫.৯ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল পূর্ব জাপান, জখম অন্তত ৩০

প্রতীকী চিত্র

সাতসকালে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল পূর্ব জাপান। রবিবার ভোরে মাঝারি মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে ৩০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৫.৯। ভূমিকম্পে টোকিও-সহ বিস্তীর্ণ এলাকা কেঁপে ওঠে। তবে এখনও পর্যন্ত সুনামির কোনও আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে জাপানের আবহাওয়া দপ্তর (JMA)।

জাপানের আবহাওয়া দপ্তর সূত্রের খবর, ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল দক্ষিণ ইবারাকি এলাকায় ভূগর্ভ থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার গভীরে। গুরুতর আহত হয়েছেন টোকিওতে ১৫ জন, সাইতামায় ৯ জন, কানাগাওয়ায় ৮ জন, চিবায় ৪ জন এবং ইবারাকিতে ১ জন। অধিকাংশ মানুষই সামান্য আহত হয়েছেন। ঘুমের মধ্যে ভূমিকম্প হওয়ায় অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে ঘর থেকে বেরোনোর সময় দরজা বা আসবাবপত্রের সঙ্গে ধাক্কা লেগে আহত হন।

ইয়াকোহামায় ৮০ বছরের এক বৃদ্ধা ভূমিকম্পের সময় বিছানা থেকে পড়ে গুরুতর আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে। টোকিও-র তাইতো এলাকায় কেনাকাটার সময় ২৩ বছর বয়সী এক ব্যক্তি মোবাইলে ভূমিকম্পের সতর্কবার্তা পাওয়ার কয়েক সেকেন্ড পরেই তীব্র ঝাঁকুনি অনুভব করেন। ভূমিকম্পের কারণে টোকিও, নারিতা বিমানবন্দর-সহ বিভিন্ন রুটের একাধিক এক্সপ্রেস ও লোকাল ট্রেন চলাচল বন্ধ করা দেওয়া হয়। তবে শিনকানসেন বুলেট ট্রেন পরিষেবা স্বাভাবিক রয়েছে।

ভূমিকম্পের প্রভাবে টোকিও-র কোতো এলাকায় মাটির নীচে জলের পাইপ লাইন ফেটে গিয়েছে। এর ফলে রাস্তায় জল জমে যায়। পরে পাইপ লাইনটি দ্রুত মেরামত করা হয়। ভূমিকম্পের পরে কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা পর্যালোচনায় সরকার একটি টাস্কফোর্স গঠন করেছে। প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি জানিয়েছেন, গোটা পরিস্থিতির উপরে নজর রাখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: আলাস্কার বরফঢাকা পাহাড়ে চার্টার্ড বিমান ভেঙে মৃত ৮

এদিকে, আগামী ১ সপ্তাহ পর্যন্ত আরও মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্পের সম্ভাবনা থাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। জাপানের পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও পারমাণবিক উৎপাদন কেন্দ্রগুলিতে কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।