• facebook
  • twitter
  • youtube
Friday, 14 August, 2026

একহাজার আটটির কুণ্ডীয় মহাযজ্ঞের সাক্ষী থাকবে পশ্চিমবঙ্গ, সহযোগিতা মুখ্যমন্ত্রীর

মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সময় আচার্য শ্রী রামচন্দ্র দাসজি মহারাজ আগামী নববর্ষ উপলক্ষ্যে বাংলায় প্রস্তাবিত এই বিশাল ধর্মীয় মহা

একহাজার আটটির কুণ্ডীয় মহাযজ্ঞের সাক্ষী থাকবে পশ্চিমবঙ্গ, সহযোগিতা মুখ্যমন্ত্রীর

CM Suvendu Adhikari Photo-SNS

আগামী নববর্ষে পশ্চিমবঙ্গে ১০০৮ কুণ্ডীয় মহাযজ্ঞ এবং বৃহৎ সনাতনী মহা-অনুষ্ঠানের আয়োজনের প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর ভারতের অন্তর্ভুক্তি এবং ধর্মান্তরিত হিন্দুদের সনাতন ধর্মে ঘর-ওয়াপসির সংকল্প নিয়ে হবে এই মহাযজ্ঞ। রামভদ্রাচার্যজি মহারাজের সান্নিধ্য ও দিকনির্দেশনায় এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। অনুষ্ঠানে ধর্মান্তরিত হিন্দুদের সনাতন ধর্মে ঘর ওয়াপসি এবং পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরকে ভারতের অন্তর্ভুক্ত করার সংকল্প নিয়ে এই বিশেষ যজ্ঞ এবং ধর্মীয় কর্মসূচির প্রস্তাব রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

এই বিষয় নিয়ে দু’দিন আগেই তুলসী পীঠাধীশ্বর রামভদ্রাচার্যজি মহারাজের উত্তরসূরি আচার্য শ্রী রামচন্দ্র দাসজি মহারাজের সঙ্গে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অনুষ্ঠানের রূপরেখা নিয়েও দু’পক্ষের মধ্যে আলোচনাও হয়। কলকাতা তথা পশ্চিমবঙ্গের মাটি আগামী নববর্ষে এক ঐতিহাসিক এবং বিরাট সনাতন ধর্মীয় অনুষ্ঠানের সাক্ষী হতে চলেছে। পূজ্য জগদগুরু শ্রী রামভদ্রাচার্যজি মহারাজের পবিত্র সান্নিধ্য ও দিকনির্দেশনায় ১০০৮ কুণ্ডীয় মহাযজ্ঞ এবং বিরাট সনাতন মহা-অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সময় আচার্য শ্রী রামচন্দ্র দাসজি মহারাজ আগামী নববর্ষ উপলক্ষ্যে বাংলায় প্রস্তাবিত এই বিশাল ধর্মীয় মহা-অনুষ্ঠানের রূপরেখা সম্পর্কে তাঁকে অবহিত করেন। তিনি জানান, ১০০৮টি যজ্ঞকুণ্ডের মাধ্যমে বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণের মধ্যে দিয়ে রাষ্ট্র, ধর্ম ও সনাতন সমাজের বিভিন্ন সংকল্পকে সামনে রেখে এই মহাযজ্ঞ সম্পন্ন করা হবে। মহারাজজি এই মহা-অনুষ্ঠানের ব্যাপকতা এবং পরিসরের কথা বিবেচনা করে প্রশাসন এবং সমাজের সকল স্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন। এই উপলক্ষ্যে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আশ্বাস দেন যে, বাংলায় নতুন সরকার গঠিত হয়েছে বলে হিন্দুত্ব, সনাতন ধর্ম, ভারতীয় সংস্কৃতি এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত সমস্ত উদ্যোগকে পূর্ণ সহযোগিতা ও সমর্থন প্রদান করা হবে।

তাছাড়া এই বৈঠকে কলকাতার একাধিক শিল্পপতি, সমাজসেবী এবং বিশিষ্ট নাগরিকরাও উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। আয়োজকদের লক্ষ্য, অনুষ্ঠানটিকে শুধুমাত্র ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না রেখে সনাতন ঐক্য, সাংস্কৃতিক জাগরণ এবং রাষ্ট্রহিতের বার্তা ছড়ানোর বৃহৎ মঞ্চ হিসেবে গড়ে তোলা। রাষ্ট্রহিতের সংকল্পের এই বিরাট মঞ্চ গড়ে তুলে বাংলার মাটি থেকে সমগ্র দেশের উদ্দেশে একটি শক্তিশালী বার্তা পৌঁছে দেওয়া হবে। অনুষ্ঠান ও আগামী দিনের প্রস্তুতি সম্পর্কে রামানন্দ মিশনের বঙ্গ শাখার প্রবীণ পদাধিকারীরা বিস্তারিত তথ্য প্রদান করেন।