বিধানসভার ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো একজন মার্শালকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। মার্শাল দেবব্রত মুখোপাধ্যায়কে সাসপেন্ড করা হয়েছে। অভিযোগ আছে, তিনি বিধায়কদের আচরণ ঠিকমতো সংশোধন করছেন না। একাধিক বিধায়ক এই অভিযোগ করেছেন।
লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার নেতৃত্বে একটি ওরিয়েন্টশন ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেখানে বিধায়কদের জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু মার্শাল দেবব্রত মুখোপাধ্যায় সেখানে দায়িত্বশীল আচরণ করেননি। তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত হবে।
মঙ্গলবার বিধানসভার সচিবালয় থেকে তাঁর পদচ্যুতির লিখিত নির্দেশনামা জারি করা হয়েছে। বিধানসভার ইতিহাসে, কোনও পদে থাকা মার্শালকে সাসপেন্ড করার ঘটনা রাজ্যে এই প্রথম। বিধানসভা সূত্রে জানা গেছে, মার্শাল দেবব্রত মুখোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে একাধিক নিয়ম-রীতি বিরোধী আচরণের অভিযোগ উঠেছে। এর মধ্যে অন্যতম বিধায়কদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ।
সম্প্রতি বিধানসভায় বিধায়কদের জন্য একটি প্রশিক্ষণ শিবির অনুষ্ঠিত হয়েছিল। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। অভিযোগ, সেই গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতেও দায়িত্বশীল আচরণ করেননি মার্শাল। পুলিশ ও সচিবালয় সূত্রে খবর, তাঁর বিরুদ্ধে শুরু হওয়া বিভাগীয় তদন্তের রিপোর্ট আসার পরই পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সাসপেন্ডের প্রসঙ্গে দেবব্রত মুখোপাধ্যায় বলেছেন, আমাকে কেন সাসপেন্ড করা হল, তা বিধানসভার উচ্চ পদাধিকারী বলতে পারবেন। আমি হয়ত অনেক কিছু জেনে গিয়েছিলাম। বিধানসভায় মার্শালদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় মার্শালদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁরা বিধানসভার স্পিকারের নির্দেশ মেনে কক্ষের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা রক্ষা করেন। সাম্প্রতিক ইতিহাসে, ২০২৬ সালের জুলাই মাসে স্পিকারের নির্দেশে মার্শাল ডেকে তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষকে কক্ষ থেকে বের করে দেওয়ার ঘটনা আলোড়ন ফেলেছিল।




