• facebook
  • twitter
  • youtube
Monday, 3 August, 2026

বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে শেষ মুহূর্তের গোলে হার বাঁচাল ইস্টবেঙ্গল

ম্যাচ ২-৩ হয়ে যাওয়ার পরে রীতিমতো ত্রাতার ভূমিকায় অবর্তীণ হন বেহালার গোলরক্ষক অভিজিৎ। লাল-হলুদের একাধিক আক্রমণ দক্ষতার সঙ্গে বাঁচিয়ে দেন তিনি। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। ম্যাচের সংযুক্তি সময়ে মনতোষ মাজির শটে শেষ পর্যন্ত পরাস্ত হন অভিজিৎ। আর সেই গোলই স্বস্তি দেয় ইস্টবেঙ্গলকে।

বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে শেষ মুহূর্তের গোলে হার বাঁচাল ইস্টবেঙ্গল

Photo: X

লক্ষ্য ছিল পাঁচে পাঁচ করার। কিন্তু লক্ষ্যে বাঁধা হয়ে দাঁড়াল বেহালা এসএস স্পোর্টিং ক্লাব। যার ফলে, কলকাতা প্রিমিয়ার লিগের পঞ্চম ম্যাচে এসে আকাশ হেমব্রমের করা শেষ মুহূর্তের গোলে কোনো রকমে হার বাঁচালো ইস্টবেঙ্গল। বৃষ্টিবিঘ্নিত রুদ্ধশ্বাস ম্যাচের সংযুক্ত সময়ে ওই গোলের সুবাদে কার্যত হারা ম্যাচ থেকে এক পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ল লাল-হলুদ ব্রিগেড।

এদিনের ম্যাচেও দলের ছিলেন না অন্যতম দুই নির্ভরযোগ্য খেলোয়াড় জেসিন টিকে ও পিভি বিষ্ণু। যার ফল দেখা গেল দলের খেলায়। এই দুই তারকাকে ছাড়া নামা শুরু থেকে একেবারেই ছন্দে ছিল না ইস্টবেঙ্গল।

সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে খেলার পঞ্চম মিনিটেই শ্লোক তিওয়ারির গোলে এগিয়ে যায় বেহালা। যে গোল শোধ করতে প্রায় ৩০ মিনিট সময় লেগে গেল অর্চিষ্মান বিশ্বাসের দলের। এইসময় আকাশ হেমব্রমের নিখুঁত ক্রস থেকে বিজয় মুর্মুর হেডে সমতা ফেরায় ইস্টবেঙ্গল। তবে, সেই স্বস্তি বেশিক্ষন স্থায়ী হয়নি ইস্টবেঙ্গলের। সাত মিনিটের মধ্যেই নিজের দ্বিতীয় গোল করে ফের বেহালাকে এগিয়ে দেন সেই শ্লোক।

এর পরেই শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। যারফলে, জলমগ্ন হয়ে পরে ইস্টবেঙ্গল মাঠ। বজ্রপাতের কারণে ৪০ মিনিটের মাথায় ম্যাচ বন্ধ রাখতে বাধ্য হন রেফারি। খেলা শুরু হওয়ার পর সমতা ফেরানোর সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিলেন বিজয় মুর্মু। তবে গোল আসেনি। একইসঙ্গে, প্রশংসা করতে হয় বেহালা গোলরক্ষক অভিজিৎ করেরও।

এদিকে, দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই সুখরাম সর্দারের গোলে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় বেহালা। কিছুক্ষণ পর হ্যাটট্রিকের সহজ সুযোগ হাতছাড়া করেন শ্লোক। এরপরেই কিছুটা ম্যাচে ফেরার লড়াই শুরু করে ইস্টবেঙ্গল। যার ফলস্বরূপ, ৬২ মিনিট নাগাদ লাল-হলুদের হয়ে ব্যবধান কমান মহম্মদ বেলাল। ম্যাচ ২-৩ হয়ে যাওয়ার পরে রীতিমতো ত্রাতার ভূমিকায় অবর্তীণ হন বেহালার গোলরক্ষক অভিজিৎ। লাল-হলুদের একাধিক আক্রমণ দক্ষতার সঙ্গে বাঁচিয়ে দেন তিনি। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। ম্যাচের সংযুক্তি সময়ে মনতোষ মাজির শটে শেষ পর্যন্ত পরাস্ত হন অভিজিৎ। আর সেই গোলই স্বস্তি দেয় ইস্টবেঙ্গলকে।

কিন্তু, ম্যাচ ড্র হলেও প্রশংসা প্রাপ্য বেহালা এসএস-এরও। শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে যেভাবে লড়াই করলেন বেহালার খেলোয়াড়রা, তা নিঃসন্দেহে বড় প্রাপ্তি হয়ে রইল শ্লোক তিওয়ারি, অভিজিৎ কর, সুখরাম সর্দারদের জন্য।