জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১৩ জনের। মঙ্গলবারের ভূমিকম্পের পরে একাধিক বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একটি শপিং মল ও একটি কারখানা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত অনেকের খোঁজ মিলছে না বলে জানা গিয়েছে। সেই সঙ্গে মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় দ্বীপ কিউশু-এ আংশিক ধসে পড়া কুমামোটো এবং অন্যান্য দুর্যোগপূর্ণ এলাকায় আটকে পড়া এবং নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধানে বুধবারও উদ্ধারকারী দল তল্লাশি চালাচ্ছে। ভূমিকম্পের জেরে অনেকেই আহত হয়েছেন। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি বুধবার জানিয়েছেন, ভূমিকম্পে অন্তত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।
জানা গিয়েছে, ভূমিকম্পের জেরে একটি শপিং মলে বিস্ফোরণ হয়, সেখানেও বেশ কিছু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। শপিং মলে অন্তত ২০-৩০ জন কর্মীর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। সেখানকার একটি হাসপাতালে ৫০ জন আহতের চিকিৎসা চলছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, একটি হাইস্পিড ট্রেন উল্টে পড়ে রয়েছে। সেই ট্রেনে থাকা কয়েকজন আহত হয়েছেন। সেই সঙ্গে একটি বড় কারখানায় কয়েকটি টাওয়ার উল্টে পড়ে থাকতেও দেখা গিয়েছে।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার জাপানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কুমামোতো প্রদেশ শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.১। ভূমিকম্পের পরেই কিউশু দ্বীপের একাধিক উপকূলবর্তী এলাকায় সুনামি সতর্কতা জারি করে জাপান আবহাওয়া দপ্তর। উপকূলবাসীদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল জাপান, জারি সুনামি সতর্কতা
জাপান আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় বিকেল ৪টে ২৭ মিনিট নাগাদ কুমামোতো প্রদেশের উপকূলে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। কম্পনের কেন্দ্রস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে। ভূমিকম্পের জেরে সমুদ্রে সর্বোচ্চ এক মিটার উচ্চতার ঢেউ উঠতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে আবহাওয়া দপ্তর। ভূমিকম্পের পর কিউশু দ্বীপের কুমামোতো, নাগাসাকি, কাগোশিমা, ফুকুওকা, সাগা, ওইতা এবং মিয়াজাকি প্রদেশে ভূমিকম্পের সতর্কতা জারি করা হয়েছে।




