তবে স্কুলশিক্ষা দপ্তর স্পষ্ট জানিয়েছে, কোনও অবস্থাতেই মিড-ডে মিল বন্ধ রাখা যাবে না। বরাদ্দ অনুমোদিত হয়েছে, কেন্দ্রের টাকা এলেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
স্কুলশিক্ষা দপ্তরের এক আধিকারিক জানান, অধিকাংশ স্কুলকে তিন থেকে চার মাসের অগ্রিম বরাদ্দ দেওয়া হলেও, কম পড়ুয়াসংখ্যার স্কুলগুলিতে তহবিল দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে। হাওড়ার বালি-জগাছা ব্লকের এক প্রধানশিক্ষক বলেন, মার্চের পর আর কোনও টাকা আসেনি। মুদির দোকানে প্রায় ৫০ হাজার টাকা ধার হয়েছে। অন্যদিকে, মুর্শিদাবাদের এক প্রধান শিক্ষক জানান, তাঁদের স্কুলে জুলাই পর্যন্ত বরাদ্দ রয়েছে, তবে এরপর টাকা না এলে সমস্যায় পড়তে হবে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইতিমধ্যেই জেলার পিএম পোষণ আধিকারিক, জেলাশাসক ও জেলা স্কুল পরিদর্শকদের নিয়ে বৈঠক করেছে স্কুলশিক্ষা দপ্তর। এখন কেন্দ্রের বরাদ্দ দ্রুত না এলে রাজ্যের হাজার হাজার স্কুলে মিড-ডে মিল পরিষেবা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন শিক্ষকেরা।




