নিম্ন আদালতের নির্দেশরে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অনুব্রত মণ্ডল। তাঁর আগাম জামিনের আবেদন মঞ্জুর করলেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ। বীরভূমের ইটভাটা লুট নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। সম্প্রতি অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয় ৷ নিম্ন আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করা হলে তা খারিজ হয়। এদিন আদালতে তাঁর আইনজীবী জানান, একজন অভিযুক্ত ইতিমধ্যেই জামিন পেয়েছেন। যদিও রাজ্যের আইনজীবী অনুব্রতর আবেদন গ্রহণের বিরোধিতা করেন।
রাজ্যে পালাবদলের পরেই তৃণমূলের একের পর এক নেতার কীর্তি প্রকাশ্যে এসেছে। দুর্নীতি, তোলাবাজিতে বেশ কয়েকজন নেতাকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। তালিকায় প্রাক্তন মন্ত্রী, প্রাক্তন বিধায়করাও আছেন। অনুব্রত-সহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে শান্তিনিকেতন থানায় লিখিত অভিযোগ জানান শুভেন্দুবিকাশ মণ্ডল নামে এক ব্যবসায়ী। তিনি অভিযোগে জানান, ২০২১ সালে নির্বাচনের রেজাল্ট বেরোনোর পর বোমা-বন্দুক দেখিয়ে ইটভাটা থেকে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা ইট লুট করা হয়।
তৎকালীন বীরভূমের তৃণমূল সভাপতি কেষ্ট’র নির্দেশেই এই ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেন ওই ব্যবসায়ী। শুধু তাই নয়, পরিস্থিতি এমন হয় যে, ইট ভাটার মালিক শুভেন্দুবিকাশ মণ্ডলকে সেই সময় নিজের ব্যবসা ছেড়ে প্রাণ ভয়ে পালাতে হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে শান্তিনিকেতন থানা। এরপরেই বীরভূমের সিউড়ি জেলা আদালতে আগাম জামিনের আবেদন জানান অনুব্রত।
যদিও সেই আবেদন খারিজ করে দেয় নিম্ন আদালত। আইনজীবীদের একাংশের মতে, আগাম জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যাওয়ায় এই মামলায় অনুব্রতকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশের সামনে আপাতত আর কোনও আইনি বাধা রইল না। এরপরেই জল্পনা তৈরি হয়, আগাম জামিনের আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হতে পারেন অনুব্রত মণ্ডল। সেই জল্পনা সত্যি করেই , ১লা জুলাই বুধবার আগাম জামিন চেয়ে হাই কোর্টে আবেদন জানালেন তিনি।




