• facebook
  • twitter
  • youtube
Sunday, 26 July, 2026

কার্গিল বিজয় দিবসে শহিদ জওয়ানদের শ্রদ্ধাজ্ঞাপন প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির

কার্গিল যুদ্ধের সময়তেও ওই বাস পরিষেবা চালু ছিল। ওই বাসে করেই লাহোরে গিয়ে শান্তি স্থাপনের বার্তা দিয়েছিলেন তৎকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী। সেই সময়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন নওয়াজ শরিফ।

কার্গিল বিজয় দিবসে শহিদ জওয়ানদের শ্রদ্ধাজ্ঞাপন প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির

কার্গিল যুদ্ধ (Photo: AI)

২৬ জুলাই কার্গিল বিজয় দিবস। রবিবার এই বিশেষ দিনে শহিদ সেনাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রতি বছর এই দিনটিকে বিজয় দিবস হিসেবে পালন করা হয়। আজ মোদী এক্স হ্যান্ডলে শহিদ জওয়ানদের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করে একটি পোস্ট করেছেন। সেই সঙ্গে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুও শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্টে লিখেছেন, ‘কার্গিল বিজয় দিবসে ভারতের সুরক্ষায় সাহস ও নিষ্ঠার জন্য সাহসী সেনাবাহিনীর প্রতি সমগ্র দেশ কৃতজ্ঞ। প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও তাঁরা যেভাবে বীরত্বের সঙ্গে কাজ করছেন, তা দেশের গর্বের বিষয়। তাঁদের দেশপ্রেম ও কর্তব্যবোধ প্রজন্মের পর প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে।’  এর পাশাপাশি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু শহিদদের শ্রদ্ধা জানিয়ে এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, সংকল্প ও দেশপ্রেম ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর গৌরবের বিষয়।’

১৯৯৯ সালে লাদাখের কার্গিল দখল করেছিল পাকিস্তানি সেনা। এরপরে লড়াই শুরু হয়। প্রায় দুমাসেরও বেশি সময় ধরে চলেছিল এই যুদ্ধ। সেই যুদ্ধে ভারতের ৫২৭ জন সেনা নিহত হয়েছিলেন। আহত হয়েছিলেন ১,৩৬৩ জন ও যুদ্ধবন্দি হয়েছিলেন ৫ জন। অন্যদিকে, যুদ্ধে পাকিস্তানের ৪০০ জন সেনা নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছিলেন ৬৬৫ জন ও যুদ্ধবন্দি হয়েছিলেন ৮ জন সেনা।

ওই বছরের শুরুতে ভারত-পাক সম্পর্কের ফের পরিবর্তন হয়। দিল্লি থেকে লাহোর পর্যন্ত বাস পরিষেবা চালু হয়। কার্গিল যুদ্ধের সময়তেও ওই বাস পরিষেবা চালু ছিল। ওই বাসে করেই লাহোরে গিয়ে শান্তি স্থাপনের বার্তা দিয়েছিলেন তৎকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী। সেই সময়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন নওয়াজ শরিফ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তৎকালীন উচ্চাকাঙ্খী পাকিস্তানি সেনাপ্রধান পারভেজ মুশারফের হস্তক্ষেপে পুরো শান্তি প্রক্রিয়া ভেস্তে যায়।

অবশেষে ২৬ জুলাই পাকিস্তানি সেনাকে পরাজিত করে ভারত জয় লাভ করে। সেই থেকে প্রতি বছর এই ঐতিহাসিক দিনটি বিজয় দিবস হিসেবে পালন করা হয়ে থাকে। আর চলতি বছরের ২৬ জুলাই, রবিবার দিনটিতে প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি শহিদ জওয়ানদের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করলেন।