• facebook
  • twitter
  • youtube
Friday, 24 July, 2026

SSC-র ভুলে চাকরি হাতছাড়া,৪ সপ্তাহের মধ্যে কাউন্সেলিয়ের নিদের্শ হাইকোর্টের

রাজ্যের স্কুল সার্ভিস কমিশনের ওয়েবসাইটে ভুল তথ্য দেখানোর জেরে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের সুযোগ হারিয়েছিলেন এক প্রার্থী।

SSC-র ভুলে চাকরি হাতছাড়া,৪ সপ্তাহের মধ্যে কাউন্সেলিয়ের নিদের্শ হাইকোর্টের

রাজ্যের স্কুল সার্ভিস কমিশনের ওয়েবসাইটে ভুল তথ্য দেখানোর জেরে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের সুযোগ হারিয়েছিলেন এক প্রার্থী। অবশেষে সেই ঘটনায় কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বড় স্বস্তি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য নির্দেশ দিয়েছেন, চার সপ্তাহের মধ্যে ওই প্রার্থীকে কাউন্সেলিংয়ে অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে হবে এবং শূন্যপদের তালিকা দেখিয়ে পছন্দের স্কুল বেছে নেওয়ার সুযোগ দিতে হবে।

মামলার শুনানিতে আইনজীবী ফিরদৌস শামীম ও আইনজীবী গোপা বিশ্বাস আদালতে জানান, ২০১৬ সালের প্রথম স্টেট লেভেল সিলেকশন টেস্ট (ওয়ার্ক এডুকেশন ও ফিজিক্যাল এডুকেশন)-এ অংশ নিয়ে ইন্টারভিউ দেন ওই প্রার্থী। পরে কমিশনের ওয়েবসাইটে তিনি দেখতে পান, তাঁর ফলাফলে লেখা রয়েছে তালিকাভুক্ত নয়।  সেই তথ্যের ভিত্তিতেই তিনি ধরে নেন যে নির্বাচিত হননি। কিন্তু কয়েক মাস পরে আবার ওয়েবসাইটে ফলাফল দেখতে গিয়ে জানতে পারেন, তিনি ওবিসি-বি বিভাগে প্যানেলে পঞ্চম স্থানে রয়েছেন। ততদিনে তাঁর নির্ধারিত কাউন্সেলিংয়ের দিনও পেরিয়ে গিয়েছে।

এরপর কমিশনের কাছে একাধিকবার আবেদন জানিয়েও কোনও সুরাহা না হওয়ায় নিরুপায় তিনি কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। শুক্রবার কমিশনের পক্ষ আদালতে দাবি করেন, নির্ধারিত দিনে কাউন্সেলিংয়ে উপস্থিত না হওয়ায় তাঁকে দ্বিতীয়বার সুযোগ দেওয়ার নিয়ম নেই। এছাড়া অনেকটা সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর আদালতে আসার বিষয়টিও কমিশন তুলে ধরে।

বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের পর্যবেক্ষণ, একজন প্রার্থী প্যানেলে পঞ্চম স্থানে থাকার পরও ইচ্ছাকৃতভাবে কাউন্সেলিংয়ে অনুপস্থিত থাকবেন,এমনটা বিশ্বাসযোগ্য নয়। কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রথমে ভুল তথ্য প্রদর্শিত হওয়াই তাঁকে বিভ্রান্ত করেছে বলে আদালতের পর্যবেক্ষণে জনিয়েছেন।

এই বিশেষ পরিস্থিতি বিবেচনা করে হাইকোর্ট নির্দেশ দেয়, চার সপ্তাহের মধ্যে ওই প্রার্থীকে কাউন্সেলিংয়ে ডেকে নতুন করে শূন্যপদ তৈরী করতে হবে।। কাউন্সেলিংয়ের ফল এক সপ্তাহের মধ্যে জানাতে হবে এবং সুপারিশ জারি হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত নিয়োগের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

এই নির্দেশের মাধ্যমে আদালত স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে, প্রশাসনিক বা প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে কোনও যোগ্য প্রার্থীকে চাকরির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতে পারেন না।রাজ্যের স্কুল সার্ভিস কমিশনের ওয়েবসাইটে ভুল তথ্য দেখানোর জেরে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের সুযোগ হারিয়েছিলেন এক প্রার্থী। অবশেষে সেই ঘটনায় কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বড় স্বস্তি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য নির্দেশ দিয়েছেন, চার সপ্তাহের মধ্যে ওই প্রার্থীকে কাউন্সেলিংয়ে অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে হবে এবং শূন্যপদের তালিকা দেখিয়ে পছন্দের স্কুল বেছে নেওয়ার সুযোগ দিতে হবে।

মামলার শুনানিতে আইনজীবী ফিরদৌস শামীম ও আইনজীবী গোপা বিশ্বাস আদালতে জানান, ২০১৬ সালের প্রথম স্টেট লেভেল সিলেকশন টেস্ট (ওয়ার্ক এডুকেশন ও ফিজিক্যাল এডুকেশন)-এ অংশ নিয়ে ইন্টারভিউ দেন ওই প্রার্থী। পরে কমিশনের ওয়েবসাইটে তিনি দেখতে পান, তাঁর ফলাফলে লেখা রয়েছে তালিকাভুক্ত নয়। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই তিনি ধরে নেন যে নির্বাচিত হননি। কিন্তু কয়েক মাস পরে আবার ওয়েবসাইটে ফলাফল দেখতে গিয়ে জানতে পারেন, তিনি ওবিসি-বি বিভাগে প্যানেলে পঞ্চম স্থানে রয়েছেন। ততদিনে তাঁর নির্ধারিত কাউন্সেলিংয়ের দিনও পেরিয়ে গিয়েছে।

এরপর কমিশনের কাছে একাধিকবার আবেদন জানিয়েও কোনও সুরাহা না হওয়ায় নিরুপায় তিনি কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। শুক্রবার কমিশনের পক্ষ আদালতে দাবি করেন, নির্ধারিত দিনে কাউন্সেলিংয়ে উপস্থিত না হওয়ায় তাঁকে দ্বিতীয়বার সুযোগ দেওয়ার নিয়ম নেই। এছাড়া অনেকটা সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর আদালতে আসার বিষয়টিও কমিশন তুলে ধরে।

বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের পর্যবেক্ষণ, একজন প্রার্থী প্যানেলে পঞ্চম স্থানে থাকার পরও ইচ্ছাকৃতভাবে কাউন্সেলিংয়ে অনুপস্থিত থাকবেন,এমনটা বিশ্বাসযোগ্য নয়। কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রথমে ভুল তথ্য প্রদর্শিত হওয়াই তাঁকে বিভ্রান্ত করেছে বলে আদালতের পর্যবেক্ষণে জনিয়েছেন।

 

এই বিশেষ পরিস্থিতি বিবেচনা করে হাইকোর্ট নির্দেশ দেয়, চার সপ্তাহের মধ্যে ওই প্রার্থীকে কাউন্সেলিংয়ে ডেকে নতুন করে শূন্যপদ তৈরী করতে হবে।। কাউন্সেলিংয়ের ফল এক সপ্তাহের মধ্যে জানাতে হবে এবং সুপারিশ জারি হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত নিয়োগের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। এই নির্দেশের মাধ্যমে আদালত স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে, প্রশাসনিক বা প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে কোনও যোগ্য প্রার্থীকে চাকরির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতে পারেন না।