• facebook
  • twitter
  • youtube
Saturday, 4 July, 2026

ফের কাঠগড়ায় টেলিগ্রাম, পাইরেসি রুখতে কড়া পদক্ষেপ কেন্দ্রীয় সরকারের

সেই অভিযোগ খতিয়ে দেখতেই তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক ৩ হাজার ১৪২টি টেলিগ্রাম চ্যানেলকে প্রথমে চিহ্নিত করে। জানা গিয়েছে, এই চ্যানেলগুলির বিরুদ্ধে পাইরেটেড ওয়েব সিরিজ, সিনেমা ও অন্যান্য কপিরাইট দেওয়া কনটেন্ট ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে।  

ফের কাঠগড়ায় টেলিগ্রাম, পাইরেসি রুখতে কড়া পদক্ষেপ কেন্দ্রীয় সরকারের

Photo: Magnific

ফের খবরের শিরোনামে উঠে এল টেলিগ্রাম। এবার পাইরেসি রুখতে টেলিগ্রামের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিল কেন্দ্রীয় সরকার। পাইরেটেড চলচ্চিত্র এবং ওটিটি কনটেন্ট প্রচারের জন্য টেলিগ্রামকে কেন্দ্রীয় সরকার একটি নোটিস জারি করেছে। ১৫ দিনের মধ্যে এই মেসেজিং প্ল্যাটফর্মকে অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট জমা দিতেও বলা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে দেওয়া নোটিসে বলা হয়েছে, বেআইনিভাবে পাইরেটেড সিনেমা ও ওয়েব সিরিজ যে চ্যানেলগুলি ছড়াচ্ছে, সেই কপিরাইট লঙ্ঘনে জড়িত চ্যানেলের বিষয় কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক কপিরাইট লঙ্ঘনে জড়িত চ্যানেল এবং কনটেন্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কঠোর পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে।

জানা গিয়েছে, তথ্যপ্রযুক্তি আইন, ২০০০-এর আওতায় কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে এই নোটিস জারি করা হয়েছে। টেলিগ্রামকে কপিরাইট লঙ্ঘনকারী কনটেন্ট দ্রুত সরিয়ে ফেলার পাশাপাশি আইন অনুযায়ী দায়িত্ব পালনেও কড়া পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে বৈধ সরকারি নোটিস পাওয়ার পর অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলিকে বেআইনি কনটেন্ট সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কিন্তু কেন টেলিগ্রাম নিয়ে এই ধরনের কড়া পদক্ষেপ নিল কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রের খবর, এর আগে সরকারের কাছে অনেক ওটিটি প্ল্যাটফর্মের মালিক অভিযোগ জানিয়েছিলেন, তাঁদের কপিরাইট দেওয়া ওয়েব সিরিজ ও সিনেমা বিনা অনুমতিতে টেলিগ্রামের বিভিন্ন চ্যানেলে ছড়িয়ে পড়ছে। এই অভিযোগ পাওয়ার পরেই সরকার তা খতিয়ে দেখে। আর সেই অভিযোগ খতিয়ে দেখতেই তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক ৩ হাজার ১৪২টি টেলিগ্রাম চ্যানেলকে প্রথমে চিহ্নিত করে। জানা গিয়েছে, এই চ্যানেলগুলির বিরুদ্ধে পাইরেটেড ওয়েব সিরিজ, সিনেমা ও অন্যান্য কপিরাইট দেওয়া কনটেন্ট ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে।

কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, দেশের চলচ্চিত্র শিল্প, ওটিটি প্ল্যাটফর্ম, সম্প্রচার সংস্থা, প্রযোজকদের স্বার্থ রক্ষা ও অনলাইন পাইরেসি রোধ করাই এই পদক্ষেপ গ্রহণের পিছনে মূল লক্ষ্য।