• facebook
  • twitter
  • youtube
Friday, 3 July, 2026

সব দলকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করার বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর, সেইসঙ্গে সিপিএম-তৃণমূলকে নিশানা

'আগে ৩৪ বছরে দলীয় অফিস থেকে সব হত। আর ১৫ বছরের কথা বলব না'

সব দলকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করার বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর, সেইসঙ্গে সিপিএম-তৃণমূলকে নিশানা

Image: FB/SuvenduWB

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করার বার্তা দেন শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার নিউটাউনের বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে সব দলের বিধায়কদের নিয়ে দু’দিনের ওরিয়েন্টেশন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে রাজ্যের উন্নয়নে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে নবীন বিধায়কদের সংসদীয় কার্যপ্রণালী ও বিধানসভার কাজকর্ম মন দিয়ে শেখার পরামর্শ দেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই সঙ্গে বাংলায় শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের কৃতিত্বের কথাও স্মরণ করিয়ে দেন তিনি।

লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে শাসক ও বিরোধী-সব দলের বিধায়করা উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য নবনির্বাচিত বিধায়কদের আইনসভা পরিচালনা, সংসদীয় রীতি-নীত এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে সম্যক ধারণা দেওয়া।

উদ্বোধনা ভাষণে মুখ্যমন্ত্রী আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত সকলকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, সংসদ সচিবালয়-সহ যাঁরা এই কর্মসূচি সফল করতে সহযোগিতা করেছন, তাঁদের সম্মিলিত প্রচেষ্টাতেই এমন উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়েছে।

সেই সঙ্গে তিনি বামফ্রন্ট এবং তৃণমূল সরকারকে একসঙ্গে নিশানা করেন। দুই দলকে আক্রমণ করে বলেন, ‘আগে ৩৪ বছরে দলীয় অফিস থেকে সব হত। আর ১৫ বছরের কথা বলব না। কারণ এখানে বিরোধী দলনেতা আছেন, সকলে আছেন। নিজের বিধানসভার নিন্দা মুখ্যমন্ত্রী মুখে শোভা পায় না।’

বিরোধী দল হিসেবে পূর্ববর্তী সময়ে কী ধরনের অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয়েছিল, তাও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, সরকারি প্রকল্প বা প্রশাসনিক কর্মসূচিতে বিরোধী বিধায়ক ও সাংসদদের যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হত না। অনেক ক্ষেত্রেই রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানানো হতো। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ অধিবেশনের আগে বিরোধী দলনেতাকে বারবার সাসপেন্ড করার অভিযোগও তোলেন তিনি।

শেষে সকল বিধায়ককে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, প্রথমবার নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের জন্য এই ধরনের প্রশিক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আগামী দু’দিনের কর্মসূচি থেকে তাঁরা যাতে সংসদীয় কাজের বিভিন্ন দিক ভালোভাবে রপ্ত করতে পারেন, সে বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়ার আবেদন জানান তিনি। তাঁর কথায়, দলমত নির্বিশেষে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টাতেই রাজ্যকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।