• facebook
  • twitter
  • youtube
Saturday, 27 June, 2026

এসআইআরে ব্লকভিত্তিক ট্রাইব্যুনালের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে অধীর চৌধুরী

মুর্শিদাবাদ ও মালদহে ব্লকভিত্তিক আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন এবং পর্যাপ্ত সংখ্যক অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি নিয়োগের দাবিতে তিনি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছেন

এসআইআরে ব্লকভিত্তিক ট্রাইব্যুনালের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে অধীর চৌধুরী

এসআইআর প্ৰক্ৰিয়ায় বিপুল সংখ্যক ভোটারের নাম বাদ পড়ার অভিযোগে এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী। মুর্শিদাবাদ ও মালদহে ব্লকভিত্তিক আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন এবং পর্যাপ্ত সংখ্যক অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি নিয়োগের দাবিতে তিনি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছেন। তাঁর দাবি, পশ্চিমবঙ্গে এসআইআরের ফলে প্রায় ২৭ লক্ষ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। এর মধ্যে শুধু মুর্শিদাবাদ থেকেই প্রায় পাঁচ লক্ষ মানুষের নাম বাদ গিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, অনেক ক্ষেত্রেই সামান্য ত্রুটির কারণে ভোটারদের কোনও শুনানির সুযোগ না দিয়েই ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে।

বাদ পড়া বহু ভোটার ইতিমধ্যেই ট্রাইব্যুনালের দ্বারস্থ হয়েছেন। তবে মামলার নিষ্পত্তির গতি অত্যন্ত ধীর বলে অভিযোগ করেন অধীর। তাঁর দাবি, মুর্শিদাবাদের জন্য বর্তমানে মাত্র দুটি ট্রাইব্যুনাল রয়েছে। ফলে প্রতিদিন ৩০-৫০ টির বেশি আবেদন নিষ্পত্তি করা সম্ভব হচ্ছে না। এই হারে বিচারপ্রক্রিয়া চললে সব আবেদন নিস্পত্তি করতে চার-পাঁচ বছর সময় লেগে যেতে পারে।

এই পরিস্থিতিতে মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য মুর্শিদাবাদ ও মালদহে ব্লকভিত্তিক ট্রাইব্যুনাল গঠন এবং আরও অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি নিয়োগের আর্জি জানিয়েছেন তিনি। পাশপাশি, যেসব মামলার রায় ঘোষণা হয়েছে। সেগুলির কপি জনসাধারণের জন্য একটি ডিজিটাল পোর্টালে প্রকাশ করার দাবিও জানিয়েছেন অধীর চৌধুরী। তাঁর বক্তব্য, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ায় বহু মানুষ সরকারি ও সামাজিক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, যা উদ্বেগজনক। তাই দ্রুত বিচারপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করা প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, এসআইআর সংক্রান্ত মামলায় আগেই সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল, স্বচ্ছ ও নির্ভুল ভোটার তালিকা প্রস্তুতের জন্য নির্বাচন কমিশনের যাচাই করার ক্ষমতা রয়েছে। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ পর্যবেক্ষণে বলেছিল, অবৈধ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার ক্ষেত্রে কমিশনের পদক্ষেপ আইনসঙ্গত। তবে আবেদনকারীদের দাবি, দ্রুত ও কার্যকর আপিল ব্যবস্থাই এখন সবচেয়ে জরুরি।