• facebook
  • twitter
  • youtube
Wednesday, 17 June, 2026

‘সবার অধিকার আছে জনতার রায়ে জিতে স্বাধীনভাবে রাজনীতি করার’, কাকলিদের নিয়ে অকপট দিলীপ

রাজ্যে পালাবদল হতেই রাজনীতির ছবিটা পাল্টে গিয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদরা বিদ্রোহ করে এনসিপিআই দলে যোগ দিয়েছেন

রাজধানীর রাজনীতির অলিন্দে ইতিমধ্যেই উঠে এসেছে এনসিপিআই। বিদ্রোহী তৃণমূল কংগ্রেসের ২০ জন সাংসদ ওই দলে যোগ দিয়েছেন। এভাবেই তাঁরা লোকসভায় উপস্থিত হবেন। এমনকী সংসদে এনডিএ-কে সমর্থন করবেন বলে জানিয়ে দিয়েছেন কাকলি ঘোষদস্তিদার-সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়রা। এই নিয়ে গতকাল থেকে সোমবার পর্যন্ত জোর চর্চা শুরু হয়েছে নয়াদিল্লির রাজপথে। সে আলোচনা পশ্চিমবঙ্গেও জোরকদমে চলছে। এবার এই বিদ্রোহীদের অন্য দলে যোগ দেওয়া নিয়ে মুখ খুললেন রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।

এদিকে রাজ্যে পালাবদল হতেই রাজনীতির ছবিটা পাল্টে গিয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদরা বিদ্রোহ করে এনসিপিআই দলে যোগ দিয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গে জয়ী বিধায়করা আসল তৃণমূল নিজেদের বলে প্রধান বিরোধী দল হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ছেড়ে দিলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দলনেত্রী হিসাবে মানতে তাঁরা রাজি বলে জানিয়ে দিয়েছেন। আবার রাজ্যসভা থেকে এখনও পর্যন্ত তিনজন সাংসদ পদত্যাগ করেছেন। এই বিষয়ে সোমবার দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘বাংলায় যারা দলটা করছিল তারা বাধ্য হয়ে করছিল। দলে বাকিদের সঙ্গে ক্রীতদাসের মতো ব্যবহার করা হতো। থ্রেট কালচার। ওই কালচার যারা কাজে লাগিয়ে দুর্নীতি করেছে তারা কেউ পার পাবে না। সবার অধিকার আছে জনতার রায়ে জিতে স্বাধীনভাবে রাজনীতি করার। তাঁরা সেটাই করছেন।’

অন্যদিকে সোমবার ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণ করতে এসে রাজ্য-রাজনীতির একাধিক ইস্যুতে প্রতিক্রিয়া দিলেন দিলীপবাবু। বিধায়কদের সই জালিয়াতি মামলায় ডায়মন্ডহারবারের তৃণমূল সাংসদ অসহযোগিতা করছে বলে দাবি সিআইডির। এই বিষয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘এতদিন আদালতের কোনও নির্দেশ উনি মানেননি। এখন বাঁচার জন্য আদালতে যাচ্ছেন। ওনাকে হয়তো সাময়িক রক্ষাকবচ দিয়েছে। তদন্তে অসহযোগিতা করলে আদালত আপনাকে রেয়াত করবে না। আগেও বহুবার কেউ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। পুলিশকে তার বাড়ির তালা ভেঙে ঢুকতে হচ্ছে। এটা সহযোগিতা নয়। আদালত দেখে নেবে।’

তাছাড়া অরূপ বিশ্বাস এখনও পুলিশের ডাকে সাড়া দেননি। জাহাঙ্গির খান জেলেই রয়েছে। সে পালাবার চেষ্টা করেছিল নেপালে। এই দুই বিষয়েও কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্ত্রী। দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, ‘ওদের এক একটা নেতাকে নিয়ে আলোচনা করলে গোটা দিন কেটে যাবে। এখন সবাই কমপ্লেন করতে শুরু করেছে। ডিমের দাম বেড়ে গেছে। মানুষ ডিমের মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করছে। মানুষ যদি ইট পাটকেল হাতে তুলে নেয় তাহলে ইমারত নির্মাণ সামগ্রীর দাম বেড়ে যাবে। এরকম বহু কেস রিওপেন হবে। আমি নিজে সেদিন নাড্ডাজির গাড়িতে ছিলাম। গাড়ি বুলেটপ্রুফ না হলে আমাদের প্রাণ চলে যেত। দুহাজার লোক ঘিরে ধরেছিল। সাধারণ মানুষের আইনের ওপর থেকে ভরসা উঠে গিয়েছিল। সেই ভরসা ফিরিয়ে আনা হোক।’