• facebook
  • twitter
  • youtube
Sunday, 14 June, 2026

হাওড়ায় স্বর্ণব্যবসায়ীকে শুটআউট, কয়েক কোটি টাকার গয়না লুট করে চম্পট দুষ্কৃতীরা

এই ঘটনায় রবিবাসরীয় সকাল থেকে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। সাঁকরাইলের রানিহাটি পুরাতন বাজারে সোনার দোকান আছে ব্যবসায়ী চন্দন কাঁড়ারের

রাতের অন্ধকারে গুলি চলল হাওড়ায়। হাওড়ার এক স্বর্ণব্যবসায়ীকে লক্ষ্য করেই চলল শুটআউট। একেবারে বাজার এলাকায় ওই স্বর্ণব্যবসায়ীকে লক্ষ করে একের পর এক গুলি চালাল একদল সশস্ত্র দুষ্কৃতী। এই ঘটনা সামন আসতেই আলোড়ন পড়ে গিয়েছে ব্যবসায়ীদের মধ্যে। যদিও ওই গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ায় প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন স্বর্ণব্যবসায়ী। কিন্তু প্রাণে মেরে ফেলার ভয় দেখিয়ে ওই ব্যবসায়ীর কাছ থেকে সোনা, রুপো এবং নগদ টাকা ভর্তি ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। শনিবার রাতের এই ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়ার সাঁকরাইল থানা এলাকায়। রবিবার এই খবর চাউর হতেই গোটা এলাকায় তুমুল চর্চা শুরু হয়েছে।

এদিকে এই ঘটনায় রবিবাসরীয় সকাল থেকে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। সাঁকরাইলের রানিহাটি পুরাতন বাজারে সোনার দোকান আছে ব্যবসায়ী চন্দন কাঁড়ারের। রোজকার মতো শনিবার রাতেও বাড়ি ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন ওই ব্যবসায়ী। আর তখনই তিনটি মোটরবাইকে করে মোট ৬ দুষ্কৃতী সেখানে হামলা চালায়। ৫ রাউন্ড গুলি চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ। গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে লাগে ব্যবসায়ীর মোটরবাইকে। তখনই ওই দুষ্কৃতীদল চন্দনবাবুর হাতে থাকা ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে চম্পট দেয় বলে অভিযোগ। স্বর্ণব্যবসায়ী দাবি করেছেন, ব্যাগে ৭ থেকে ৮ কেজি রুপোর গয়নাও ছিল।

অন্যদিকে পুলিশ সূত্রে খবর, আক্রান্ত ওই স্বর্ণব্যবসায়ীর নাম চন্দন কাঁড়ার। তিনি সাঁকরাইলের রানিহাটি পুরাতন বাজার এলাকায় একটি সোনার দোকান চালান। প্রত্যেকদিনের মতো শনিবার রাতেও চন্দন কাঁড়ার দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফিরছিলেন। তাঁর ব্যাগে সমস্ত গয়না এবং সারাদিনের রোজগার করা টাকা ব্যাগে ভরে যখন বেরোচ্ছিলেন তখনই তাঁর উপর হামলা চালানো হয়। ৫ রাউন্ড গুলি চালানো হয়। ৬ জনের দুষ্কতী দল এই হামলা করে লুট করেছে। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে সবটা জনার চেষ্টা করা হচ্ছে।

তাছাড়া রানিহাটি পুরাতন বাজারের মতো একটি জনবহুল এলাকায় এই ঘটনার আগে কখনও এমন ডাকাতির ঘটনা ঘটেনি বলেই দাবি করছেন স্থানীয় দোকানদাররা। এই ঘটনার পর স্বর্ণব্যবসায়ী চন্দন কাঁড়ার বলেন, ‘ব্যাগে ৭ থেকে ৮ কেজি রুপোর গয়না ছিল। আর ১০০-১৫০ গ্রাম সোনার গয়না এবং নগদ ৬০ হাজার টাকা ছিল। শনিবার রাতে দোকান বন্ধ করার সময় হঠাৎ ৫ থেকে ৬ জন দুষ্কৃতী এসে দুটো ব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। একজন দুষ্কৃতীর হাতে আগ্নেয়াস্ত্র ছিল। ওই দুষ্কৃতী আমাকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল। যদিও সেটা মোটরবাইকে গিয়ে লাগে। ওরা সব নিয়ে চলে গিয়েছে। নিমেষের মধ্যে আমার হাতের দুটো ব্যাগ ওরা কেড়ে নেয়।’