রবিবাসরীয় সকালে নয়াদিল্লি গেলেন তৃণমূল কংগ্রেসের বিদ্রোহী ব্লকের নেত্রী তথা সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদার। আর কলকাতা বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে ওই ব্লকের সংখ্যা যে বাড়ছে সেটাও কার্যত বুঝিয়ে দিলেন। রাত পোহালেই সোমবার লোকসভায় নতুন তৃণমূলের আত্মপ্রকাশ হবে বলে জানা যাচ্ছে। একদিন আগেই ওই বিদ্রোহী ব্লকে যোগ দিয়েছেন সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে বৈঠক হবে বলে জানা গিয়েছে। তাই এই রাজধানী সফর।
এদিকে নয়াদিল্লি সফরের আগে কলকাতা বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে আবার বোমা ফাটালেন বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদার। তাঁর দাবি, বিদ্রোহী ব্লকে সাংসদ সংখ্যা ২০ থেকে বেড়ে ২২ জন হয়েছে। সুতরাং আরও দু’জন সাংসদ নয়াদিল্লিতে যোগ দেবেন তাঁদের সঙ্গে। ওই দুজন কারা? সেটা অবশ্য স্পষ্ট করেননি কাকলিদেবী। তবে এদিন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দিল্লি আসতে পারেন বলে জানা যাচ্ছে। তবে সেটা কখন তা স্পষ্ট নয়।
অন্যদিকে রবিবাসরীয় দুপুরে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বিদ্রোহী সাংসদরা একত্রিত হয়ে বৈঠকে বসবেন। দেখে নেওয়া হবে সব ঠিক আছে কিনা। এই বৈঠকের পর বঙ্গভবনে নৈশভোজ করবেন তাঁরা। আর সেখানে ভূপেন্দ্র যাদব এবং নিশিকান্ত দুবের থাকার কথা। সোমবার লোকসভার স্পিকারের কাছে সশরীরে এই সাংসদরা তাঁদের একত্রিত চিঠি জমা দেবেন। এমনকী পৃথক ব্লক করে বসার অনুরোধ নিয়ে তাঁরা চিঠি দেবেন বলে সূত্রের খবর। এদিন সকালে একে একে নয়াদিল্লি উড়ে গেলেন তৃণমূলের বিদ্রেহী সাংসদরা। সেখানে দেখা গেল, মালা রায়, দেব, সায়নী ঘোষরা বিমানবন্দরে প্রবেশ করলেন। তবে কেউ মুখ খোলেননি।
তাছাড়া ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী (দেব) আগেই জানিয়েছিলেন, যতদিন তিনি বাঁচবেন ততদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই থাকবেন। সেখানে রবিবার তাঁকেও দেখা গেল রাজধানীর উদ্দেশ্যে রওনা দিলেন। কথার সঙ্গে কাজের তেমন মিল নেই দেখা যাচ্ছে। নয়াদিল্লি যাওয়ার আগে সংবাদমাধ্যমের সামনে কাকলি ঘোষদস্তিদার বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গের যে হাল তা ফেরাতেই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বহু মানুষের সঙ্গে কথা হয়েছে। যাঁরা রাজ্যের ভাল চান তাঁদের কথা শুনেই এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আর তাই পৃথক ব্লক করা হচ্ছে। এখন আর ২০ জন নেই, সাংসদের সংখ্যাটা বেড়ে হয়েছে ২২। তাঁরা এখনও আসেননি। তাই অপেক্ষা করতেই হবে। তারপর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’




