• facebook
  • twitter
  • youtube
Wednesday, 3 June, 2026

সীমান্তে নতুন করে ভিড় বাড়াচ্ছে অনুপ্রবেশকারীরা, ছুঁল ৪৫০-এ

ইতিমধ্যে বাদুড়িয়া ও স্বরূপনগরে তিনটি হোল্ডিং সেন্টারে ২৫০ জন অনুপ্রবেশকারীকে রাখা হয়েছে

প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র

পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসার পরেই একেবারে অ্যাকশন মোডে কাজ শুরু করেছে বিজেপি সরকার। শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রীর গদিতে বসার পরেই রাজ্যে অনুপ্রবেশকারীদের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিয়েছেন। আর তারপরেই উত্তর ২৪ পরগনার হাকিমপুর সীমান্তে অনুপ্রবেশকারীদের ভিড় জমতে শুরু করেছে। জানা যাচ্ছে, এরই মধ্যে ফের নতুন করে ২৫০ জন অনুপ্রবেশকারী সীমান্তে ভিড় জমাতে শুরু করেছেন।

প্রসঙ্গত, অনুপ্রবেশকারীদের জন্য সীমান্তে বিভিন্ন জায়গায় হোল্ডিং সেন্টার তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যে বাদুড়িয়া ও স্বরূপনগরে তিনটি হোল্ডিং সেন্টারে ২৫০ জন অনুপ্রবেশকারীকে রাখা হয়েছে। অনুপ্রবেশকারীদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাঁদের পরিচয়পত্র যাচাই করা হচ্ছে। ফিঙ্গারপ্রিন্ট থেকে বায়োমেট্রিক সবটাই যাচাই করছেন বিএসএফের আধিকারিকরা। বিএসএফ সূত্রের খবর, যতক্ষণ না পর্যন্ত তাঁরা অনুপ্রবেশকারীদের সঠিক তথ্য পাবেন, ততক্ষণ তাঁদেরকে দেশে ফেরানো হবে না।

সীমান্তের বিভিন্ন হোল্ডিং সেন্টারে থাকা শিশু, মহিলা ও পুরুষদের সবরকম পরিষেবা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তাঁদের স্বাস্থ্য থেকে শুরু করে খাওয়া-দাওয়া এমনকী নিরাপত্তার দিকটাও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক দেখছে বলে জানা গিয়েছে। সেই সঙ্গে দেশে ফেরার আগে যাতে তাঁদের কোনও অসুবিধা না হয় সেই দিকটাও প্রশাসনিক ভাবে দেখা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

এদিকে, উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহকুমার বিথারী হাকিমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের হাকিমপুর সীমান্তে ৪৫০ জন অনুপ্রবেশকারী এখনও পর্যন্ত ভিড় জমিয়েছেন। সূত্রের খবর, এরা বিভিন্ন সময় উত্তর ২৪ পরগনার বিভিন্ন সীমান্ত থেকে দালাল মারফত মোটা অর্থের বিনিময়ে এ দেশে ঢুকেছিলেন। এরপরে এ রাজ্য থেকে শুরু করে অন্য রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় তাঁরা এতদিন কাজ করেছেন। অনুপ্রবেশকারীরা রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা গ্রহণ করতেন বলেও  জানিয়েছেন। ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছে, প্রতিটি থানা এলাকায় একটি করে হোল্ডিং সেন্টার তৈরি হবে। সেইমতো প্রশাসনিক প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গিয়েছে।