• facebook
  • twitter
Saturday, 30 May, 2026

অনুপ্রবেশ রুখতে কৃষ্ণগঞ্জের ভীমপুরে তৈরি হল হোল্ডিং সেন্টার

কমিউনিটি হল এখনও সম্পূর্ণ প্রস্তুত না হওয়ায় বর্তমানে গ্রাম পঞ্চায়েতের নিচে থাকা ২ বেডের একটি ঘরকে সিসিটিভি নজরদারির আওতায় এনে তৈরি করা হয়েছে এই বিশেষ সেন্টার

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে নজরদারি আরও জোরদার করতে বড় পদক্ষেপ নিল রাজ্য প্রশাসন। বিভিন্ন জেলার পর এবার নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জ বিধানসভার ভীমপুরে তৈরি হল বিশেষ ‘হোল্ডিং সেন্টার’। নদিয়া জেলার কৃষ্ণনগর ১ নম্বর ব্লকের ভীমপুর থানার অন্তর্গত ভীমপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় প্রশাসনের তরফে আপাতত একটি অস্থায়ী হোল্ডিং সেন্টার তৈরি করা হয়েছে।
কমিউনিটি হল এখনও সম্পূর্ণ প্রস্তুত না হওয়ায় বর্তমানে গ্রাম পঞ্চায়েতের নিচে থাকা ২ বেডের একটি ঘরকে সিসিটিভি নজরদারির আওতায় এনে তৈরি করা হয়েছে এই বিশেষ সেন্টার। ইতিমধ্যেই সেখানে রাখা হয়েছে এক বাংলাদেশি নাগরিককে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত ব্যক্তির নাম আনামুল হক। সে নিজেই স্বীকার করেছে, ঝড়ের সময় অজান্তেই দিনাজপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতে ঢুকে পড়ে। এরপর প্রায় এক মাস ধরে বিভিন্ন রেল স্টেশনে ঘুরে বেড়াচ্ছিল সে।
ভীমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পূজা দাস মণ্ডল জানান, প্রশাসনের অনুরোধে পঞ্চায়েতের ঘর দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা সম্পূর্ণ প্রশাসনের সিদ্ধান্ত। অন্যদিকে উপ-প্রধান বাপ্পাদিত্য বিশ্বাস স্পষ্ট ভাষায় বলেন, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা এদেশে এসে দেশের অন্ন ধ্বংস করবে, এটা হতে পারে না। প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে আমরা স্বাগত জানাই।তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে ভীমপুরের কমিউনিটি হল সংস্কার করে প্রশাসনের হাতে তুলে দেওয়া হবে, যাতে আরও বড় পরিসরে এই হোল্ডিং সেন্টার পরিচালনা করা যায়।
জানা গিয়েছে, হোল্ডিং সেন্টারে থাকা ব্যক্তিদের জন্য খাদ্য, পানীয় জল, শয্যা এবং প্রয়োজনীয় আসবাবপত্রের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।  সেখানে  যাতে কোনওরকম অসুবিধার সম্মুখীন হতে না হয়, সে দিকেও নজর রাখছে প্রশাসন।মূলত রোহিঙ্গা, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী এবং বৈধ নথিপত্রহীন ব্যক্তিদের এখানে রাখার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানা গিয়েছে। প্রশাসনের দাবি, সীমান্ত এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ রুখতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

Advertisement

Advertisement