• facebook
  • twitter
Monday, 25 May, 2026

ডিপোর্টের আগে হোল্ডিং সেন্টারে অনুপ্রবেশকারীরা

মুর্শিদাবাদ ও মালদহে বন্দি মোট ১২ বাংলাদেশি

দ্রুতগতিতে অনুপ্রবেশকারীদের তাড়াতে সক্রিয় হয়েছে রাজ্য সরকার। সেই অনুযায়ী রাজ্যের একাধিক জেলায় চালু হয়েছে হোল্ডিং সেন্টার। সোমবার সকালেই মুর্শিদাবাদের লালগোলায় হোল্ডিং সেন্টারে তিন বাংলাদেশিকে বন্দি রাখার খবর পাওয়া গিয়েছে। এরপর আবার মালদহের ইংরেজবাজার শহর লাগোয়া বাগবাড়ির চন্দনপার্কের হোল্ডিং সেন্টারে ৯ জন বাংলাদেশিকে রাখা হয়েছে। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত মোট ১২ জন বাংলাদেশিকে বন্দি করা হয়েছে।

ছাব্বিশের নির্বাচনের আগে থেকেই অনুপ্রবেশ ইস্যুতে সরব হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ভোট প্রচারে এসে বারবার এই অনুপ্রবেশ ইস্যুতে তৎকালীন শাসক দলের তুলোধনা করেছেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বরা। এরপরে বিধানসভা নির্বাচনের জয়ী হয়ে রাজ্যে বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার ২ সপ্তাহের মধ্যেই অনুপ্রবেশকারীদের তাড়াতে সক্রিয় হয়েছে।

Advertisement

অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে ধৃতদের রাখার জন্য জেলায় জেলায় হোল্ডিং সেন্টার তৈরির নির্দেশ দিয়েছিল স্বরাষ্ট্রদপ্তর। সেই অনুযায়ী রাজ্য সরকারের তরফে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে, প্রতি জেলায় হোল্ডিং সেন্টার তৈরি করতে হবে। সেখানেই কেন্দ্রের রীতি মেনে ‘ডিটেক্ট, ডিলিট, ডিপোর্ট’ পদ্ধতি শুরু করল শুভেন্দুর সরকার। সেই হোল্ডিং সেন্টার গুলিতেই সোমবার মোট ১২ জন  বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে বন্দি করা হয়েছে।

Advertisement

এদিন লালগোলার পদ্মাভবনের তিনতলায় হোল্ডিং সেন্টারে ৩ জন বাংলাদেশি পুরুষকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের বয়স ৩০-৪০ বছরের মধ্যে। এর পাশাপাশি  ইংরেজবাজার শহর লাগোয়া বাগবাড়ির চন্দনপার্কে হোল্ডিং সেন্টারে ৯ জন বাংলাদেশিকে বন্দি করা হয়েছে। এই ৯ বাংলাদেশির মধ্যে ৩ মহিলা ও ৬ জন নাবালক-নাবালিকা রয়েছে। তাঁদের গাজোল এলাকা থেকে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

এ প্রসঙ্গে উত্তর মালদহের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু বলেছেন, ‘ভারতীয় নাগরিক নন, এরকম যে সমস্ত ব্যক্তি আছেন, আমাদের দেশ থেকে তাঁদের নিজের দেশে ফিরতে হবে। এটা তো খুবই জরুরি। আমাদের রাজ্যকে সুরক্ষিত করব। আমাদের দেশকে সুরক্ষিত করব। এতদিন ধরে তৃণমূল রাজ্যটাকে রোহিঙ্গাদের, সন্ত্রাসবাদীদের, জেহাদিদের একটা করিডর হিসাবে ব্যবহার করার সুযোগ করে দিয়েছিল।’

Advertisement