জল্পনাটা অনেকদিন ধরেই চলছিল। শেষ পর্যন্ত, সরকারি ঘোষণা করা হল চেলসির তরফে। স্ট্যামফোর্ড ব্রিজের নতুন ম্যানেজার হচ্ছেন জাবি আলোনসো। স্প্যানিশ কোচের সঙ্গে চার বছরের চুক্তি সেরে ফেলেছে লন্ডনের ক্লাব। জাবি, ঘটনাচক্রে যিনি চিরশত্রু লিভারপুলের হয়ে দীর্ঘদিন খেলেছেন, দায়িত্বভার তুলে নেবেন ১ জুলাই। চেলসির তরফে জানানো হয়েছে, আলোনসোর ‘কোচিংয়ের গুণমান, ‘গেম মডেল’, ‘নেতৃত্বদানের ক্ষমতা’ই তাঁকে বেছে নেওয়ার বড় কারণ। নিয়োগের পর আলোনসো বলেন, ‘চেলসি বিশ্বের অন্যতম বড় ক্লাব। এর ম্যানেজার হতে পেরে আমি ভীষণ গর্বিত।’ যোগ করেন, ‘মালিকপক্ষ এবং স্পোর্টিং নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলে বুঝেছি, আমাদের লক্ষ্য এক। আমরা এমন একটা দল গড়তে চাই, যারা নিয়মিত সর্বোচ্চ স্তরে লড়বে এবং ট্রফি জিতবে। এই দলে প্রচুর প্রতিভা আছে। ক্লাবের সম্ভাবনাও বিশাল। এখন লক্ষ্য একটাই—কঠোর পরিশ্রম, সঠিক সংস্কৃতি তৈরি আর ট্রফি জেতা।’
আলোনসোর আগমনে চেলসির কৌশলে বড়সড় রদবদলের ইঙ্গিত। লেভারকুসেনে তিনি মূলত ৩-৪-২-১ ফর্মেশনে খেলাতেন। আক্রমণাত্মক প্রেসিং, ছোট ছোট পাস, নিয়ন্ত্রিত ফুটবল—এই ছিল তাঁর টিমের পরিচয়। উল্লেখ্য, গতকাল এফএ কাপ ফাইনালে পরাজিত হলেও অন্তর্বর্তী কোচ ক্যালাম ম্যাকফারলেনও চেলসি বাহিনীকে ৩-৪-২-১ ছকে সাজান। অনেকের মতে, সেটা নাকি আলোনসোর জন্য ‘ট্রায়াল ভার্সন’ ছিল!
Advertisement
আলোনসোর আগমনে চেলসির কৌশলে বড়সড় রদবদলের ইঙ্গিত। লেভারকুসেনে তিনি মূলত ৩-৪-২-১ ফর্মেশনে খেলাতেন। আক্রমণাত্মক প্রেসিং, ছোট ছোট পাস, নিয়ন্ত্রিত ফুটবল—এই ছিল তাঁর টিমের পরিচয়। উল্লেখ্য, গতকাল এফএ কাপ ফাইনালে পরাজিত হলেও অন্তর্বর্তী কোচ ক্যালাম ম্যাকফারলেনও চেলসি বাহিনীকে ৩-৪-২-১ ছকে সাজান। অনেকের মতে, সেটা নাকি আলোনসোর জন্য ‘ট্রায়াল ভার্সন’ ছিল!
Advertisement
রিয়াল মাদ্রিদে ব্যর্থ অধ্যায় কাটিয়ে, বায়ার লেভারকুসেনে ইতিহাস গড়ে ইউরোপের অন্যতম চাহিদাসম্পন্ন কোচ হয়ে উঠেছিলেন আলোনসো। ২০২৩-২৪ মরসুমে তাঁর দল অপরাজিত থেকে বুন্দেসলিগা জেতে। সঙ্গে আসে ডিএফবি পোকালও। সেই সাফল্যের পর থেকে বড় ক্লাবগুলির নজরে ছিলেন। পুরনো দল রিয়ালে গেলেও সাফল্য জোটেনি। তবু শেষ পর্যন্ত প্রতিভা ও প্রতিশ্রুতির জোরেই বাজি ধরল চেলসি।
নয়া জমানায় সবাই অবশ্য নিশ্চিন্ত হতে পারছেন না। আলোনসোর সিস্টেমে প্রথাগত উইঙ্গারের ভূমিকা কম। ফলে আলেহান্দ্রো গার্নাচো বা জেমি গিটেন্সদের জায়গা কোথায় হবে বা আদৌ হবে কিনা—তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। রক্ষণেও বদল চাইতে পারেন নতুন কোচ। ওয়েসলি ফোফানার ধারাবাহিকতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। টসিন আদারাবিয়োর শ্লথ গতি ইতিমধ্যে সমালোচিত। ফলে ট্রান্সফার মার্কেটে নতুন সেন্টার-ব্যাক খোঁজা কার্যত নিশ্চিত বলে মনে করছেন অনেকে।
Advertisement



