• facebook
  • twitter
Sunday, 17 May, 2026

বিধাননগরে তৃণমূল পার্টি অফিসে উদ্ধার রাশি রাশি আধার কার্ড

রবিবার সকাল থেকেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে বিধাননগর পুরসভার ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসন্তী দেবী কলোনি এলাকায়

ভোট পর্ব শেষ হতেই বিধাননগরে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। স্থানীয় একটি তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিস থেকে উদ্ধার হয়েছে বিপুল সংখ্যক আধার কার্ড। এই ঘটনাকে ঘিরে রবিবার সকাল থেকেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে বিধাননগর পুরসভার ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসন্তী দেবী কলোনি এলাকায়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিশাল পুলিশবাহিনী। কীভাবে একটি রাজনৈতিক দলের অফিসে এত সংখ্যক পরিচয়পত্র জমা হল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সকালে এলাকার কিছু বাসিন্দা ওই পার্টি অফিসে গিয়ে একাধিক আধার কার্ড দেখতে পান। অভিযোগ, সেখানে অন্তত ৬০ থেকে ৭০টি আধার কার্ড রাখা ছিল। বিষয়টি জানাজানি হতেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নাম করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে আধার কার্ড সংগ্রহ করা হতো। কিন্তু পরে সেই নথি আর ফেরত দেওয়া হয়নি। অভিযোগ উঠেছে, ভোটের সময় যাতে কেউ ভোট দিতে না পারেন, সেই উদ্দেশ্যেই এই কাজ করা হয়ে থাকতে পারে।

Advertisement

ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং উদ্ধার হওয়া সমস্ত নথি বাজেয়াপ্ত করে। ইতিমধ্যেই স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। পুলিশ সূত্রে খবর, প্রয়োজন হলে দলীয় নেতৃত্বকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।

Advertisement

এদিকে একই দিনে বীরভূমের নানুর থেকেও উদ্ধার হয়েছে বিপুল সংখ্যক ভোটার কার্ড। একটি মাঠ থেকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা অবস্থায় কার্ডগুলি উদ্ধার হয়। ঘটনাস্থলের পাশেই এক বিএলও-র বাড়ি থাকায় সন্দেহের তির তাঁর দিকেও ঘুরেছে। তদন্তে নেমে পুলিশ ওই বিএলও-কে আটক করেছে এবং কীভাবে এত ভোটার কার্ড সেখানে এল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দুটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে। ভোটের পরপরই এভাবে আধার ও ভোটার কার্ড উদ্ধারের ঘটনায় প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

Advertisement