• facebook
  • twitter
Monday, 11 May, 2026

পাহাড়ের স্থায়ী সমাধান নিয়ে তৎপর মোর্চা দিলীপ ঘোষের সঙ্গে বৈঠকে গুরুং-গিরি

বিধানসভা নির্বাচনে পাহাড়ের তিনটি আসনেই জোটের সাফল্যের পর মোর্চা নেতৃত্ব পাহাড়ের 'স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধান'-এর দাবিকে আরও জোরালো করেছে

রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর পাহাড়ের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত মিলল। দিলীপ ঘোষের সঙ্গে বৈঠক করলেন বিমল গুরুং ও রোশন গিরি। দার্জিলিং পাহাড়, তরাই ও ডুয়ার্সের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে এই বৈঠককে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

বিধানসভা নির্বাচনে পাহাড়ের তিনটি আসনেই জোটের সাফল্যের পর মোর্চা নেতৃত্ব পাহাড়ের ‘স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধান’-এর দাবিকে আরও জোরালো করেছে। বৈঠকে পাহাড়বাসীর অধিকার, পরিচিতি ও প্রশাসনিক কাঠামো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় বলে জানা গিয়েছে।বিশেষভাবে বর্তমান জিটিএ বোর্ড নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন মোর্চা নেতারা। তাঁদের দাবি, সংবিধান মেনে আরও শক্তিশালী প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তুলতে হবে। রোশন গিরি জানান, বর্তমান জিটিএ বোর্ড ভেঙে নতুনভাবে ব্যবস্থা গঠনের দাবি মন্ত্রীর কাছে জানানো হয়েছে।

Advertisement

মোর্চা নেতৃত্বের বক্তব্য শোনার পর দিলীপ ঘোষ আশ্বাস দেন যে পাহাড়ের দাবিগুলি দ্রুত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। পাশাপাশি রাজ্য সরকার পাহাড়ের পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে বলেও তিনি জানান।সরকারের এই ইতিবাচক মনোভাবের জেরেই আপাতত ১৪ মে নির্ধারিত ‘লালকুঠি ঘেরাও’ কর্মসূচি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোর্চা।

Advertisement

অন্যদিকে, ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা সুপ্রিমো অনীত থাপা চিঠি পাঠিয়ে নতুন মুখ্যমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে পাহাড়ে শান্তি ও উন্নয়নের ধারা বজায় রাখার উপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, ২০১৭-র অশান্তির পর পাহাড়ে স্থিতিশীলতা ফিরেছে এবং পর্যটন শিল্পও ঘুরে দাঁড়িয়েছে।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, মোর্চা-বিজেপি জোটের সাম্প্রতিক সাফল্যের ফলে পাহাড়ে আবারও বিমল গুরুংদের প্রভাব বাড়ছে। এখন জিটিএ পুনর্গঠন ও উন্নয়নের রাজনীতির মধ্যে পাহাড় কোন পথে এগোয়, সেদিকেই নজর সবার।

Advertisement