• facebook
  • twitter
Sunday, 29 March, 2026

আরও এক মার্কিন এফ-১৬ যুদ্ধবিমানকে গুলি করে নামানোর দাবি ইরানের

হরমুজ প্রণালীর কাছাকাছি দক্ষিণ উপকূলে মার্কিন বাহিনীর একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান তাদের অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়েছে।

প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র

পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনার আবহে ফের চাঞ্চল্যকর দাবি করল ইরান। সে দেশের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, আকাশসীমা লঙ্ঘন করায় আমেরিকার একটি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান গুলি করে নামানো হয়েছে। তবে কোথায় এই ঘটনা ঘটেছে, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি।

তবে এই প্রথম নয়, এর আগেও একাধিক বার মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছে তেহরান। কয়েক দিন আগেই ইরান দাবি করেছিল, তারা আমেরিকার একটি এফ-৩৫ এবং একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছে। যদিও সেই সমস্ত দাবিকে সরাসরি খণ্ডন করেছে আমেরিকার সেন্ট্রাল কমান্ড।

Advertisement

গত ২২ মার্চ আইআরজিসি একটি বিবৃতিতে জানায়, হরমুজ প্রণালীর কাছাকাছি দক্ষিণ উপকূলে মার্কিন বাহিনীর একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান তাদের অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়েছে। ইরানের ফার্স সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন বিমানটি হামলার চেষ্টা করছিল। সেই সময় ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে সেটিকে গুলি করে নামানো হয় বলে দাবি করা হয়। এই ঘটনার একটি ভিডিয়োও প্রকাশ করা হয়েছিল।

Advertisement

এরও আগে ইরান দাবি করেছিল, আমেরিকার অত্যাধুনিক স্টেলথ যুদ্ধবিমান এফ-৩৫-কে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয় এবং সেটি ভূপাতিত করা হয়। যদিও মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড প্রথমে এই দাবি অস্বীকার করে। পরে সেন্টকমের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স জানান, একটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান জরুরি ভিত্তিতে অবতরণ করেছে এবং পাইলট নিরাপদে আছেন। তবে কেন সেই জরুরি অবতরণ, তা নিয়ে কোনও বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানকে লক্ষ্য করে সামরিক অভিযান শুরু করেছে আমেরিকা ও ইজ়রায়েল। সেই সংঘাতের আবহেই একের পর এক মার্কিন যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি করছে তেহরান। ইরানের বক্তব্য, এফ-১৬, এফ-৩৫, এমনকি কেসি-১৩৫ রিফুয়েলিং বিমান-সহ মোট ১৭টি মার্কিন বিমান তারা ধ্বংস করেছে।

তবে আমেরিকার তরফে বার বার জানানো হয়েছে, এই সমস্ত দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ফলে বাস্তবে কী ঘটছে, তা নিয়ে ধোঁয়াশা আরও ঘনীভূত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, তথ্যযুদ্ধের এই পরিস্থিতিতে উভয় পক্ষই নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে এমন দাবি করছে, যা সংঘাতের উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলছে।

Advertisement