• facebook
  • twitter
Sunday, 29 March, 2026

এপ্রিল থেকে ইথানল মেশানো পেট্রল, নয়া পদ্ধতিতে জোর মোদীর

আগামী ১ এপ্রিল থেকে দেশের সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বাধ্যতামূলকভাবে ইথানল মিশ্রিত পেট্রল সরবরাহের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তেল সংস্থাগুলিকে

প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র

ইরানকে কেন্দ্র করে যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ায় বিশ্বজুড়ে তেলের বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে ভারতেও। তার জেরে পেট্রল ও ডিজেলের দাম দ্রুত বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের উপর চাপ কমাতে কেন্দ্র সরকার ইতিমধ্যেই লিটার প্রতি ১০ টাকা করে আবগারি শুল্ক কমিয়েছে। তবে শুধু এই পদক্ষেপেই সমস্যা পুরোপুরি মিটছে না।

দেশজুড়ে সম্ভাব্য জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এবার নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে কেন্দ্র। আগামী ১ এপ্রিল থেকে দেশের সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বাধ্যতামূলকভাবে ইথানল মিশ্রিত পেট্রল সরবরাহের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তেল সংস্থাগুলিকে। বর্তমানে পেট্রলের সঙ্গে ২০ শতাংশ ইথানল মেশানো হচ্ছে, যা আগামী চার বছরের মধ্যে ৩০ শতাংশ নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

Advertisement

নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানান, ইথানল মিশ্রণের ফলে দেশের বিপুল পরিমাণ অর্থ সাশ্রয় হয়েছে এবং বিদেশি তেলের উপর নির্ভরতা কিছুটা কমেছে। তিনি আশ্বাস দেন, ইরান যুদ্ধজনিত চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও সাধারণ মানুষকে জ্বালানি সংকটে পড়তে দেওয়া হবে না। সরকারের দাবি, বর্তমানে দেশের কাছে প্রায় ৬০ দিনের জ্বালানি মজুত রয়েছে।

Advertisement

তবে বাস্তব পরিস্থিতি নিয়ে কিছুটা সংশয় দেখা যাচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় এলপিজি সরবরাহে অনিয়ম এবং পেট্রল পাম্পে দীর্ঘ লাইনের খবর সামনে আসছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শুল্ক কমানোর সুবিধা সরাসরি ভোক্তাদের কাছে না পৌঁছানোর সম্ভাবনাই বেশি, কারণ তেল সংস্থাগুলি আগের ক্ষতি পোষাতে এই সুবিধার বড় অংশ নিজেদের কাছে রাখতে পারে। এদিকে, ইথানল মিশ্রিত পেট্রল তুলনামূলক সস্তা হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। যদিও এর ব্যবহারে ইঞ্জিনের উপর প্রভাব পড়তে পারে—এমন আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

 

 

 

Advertisement