• facebook
  • twitter
Monday, 16 March, 2026

গিরিশ পার্কে মন্ত্রীর বাড়িতে হামলা, মালদহে বিজেপি নেতার খোঁজে পুলিশ

এই ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত বিজেপি নেতার খোঁজে কলকাতা ও মালদহ দুই জায়গাতেই তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ

কলকাতার গিরিশ পার্ক এলাকায় রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়ির সামনে ‘বয়কট বিজেপি’ লেখা পোস্টার ছেঁড়ার অভিযোগ ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে মালদহের এক বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং তাঁকে খুঁজতে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।

সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, মালদহ জেলা পরিষদের বিজেপি সদস্য তারাশঙ্কর রায় এবং তাঁর কয়েকজন সঙ্গী রাস্তার ধারে লাগানো পোস্টার ছিঁড়ে ফেলছেন। এই ঘটনা সামনে আসতেই সমাজ মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। যদিও ওই ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তারাশঙ্কর রায়ের বাড়ি মালদহ জেলার হবিবপুর থানার সিঙ্গাবাদ ঋষিপুর এলাকায়। তিনি মালদহ জেলা পরিষদের সদস্য হওয়ার পাশাপাশি উত্তর মালদহ যুব বিজেপির সভাপতিও। অভিযোগ, শনিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ব্রিগেড সমাবেশে যাওয়ার পথে গিরিশ পার্ক এলাকায় পৌঁছে তিনি এবং তাঁর সঙ্গীরা ওই পোস্টারগুলি ছিঁড়ে ফেলেন।

Advertisement

আরও অভিযোগ, স্থানীয় তৃণমূল কর্মীরা এর প্রতিবাদ করলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। তৃণমূলের দাবি, এরপর বিজেপি কর্মীরা মন্ত্রীর বাড়ির দিকে ইট-পাটকেল ছোঁড়ে এবং জানলার কাঁচ ভেঙে দেয়। এমনকি বাড়ির দরজা ভেঙে ভিতরে ঢোকারও চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় মন্ত্রী শশী পাঁজাও আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

এই ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত বিজেপি নেতার খোঁজে কলকাতা ও মালদহ দুই জায়গাতেই তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। রবিবার রাত পর্যন্ত তাঁর সন্ধান পাওয়া যায়নি বলে জানা গিয়েছে। পুলিশের দাবি, মন্ত্রীর বাড়িতে হামলার অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে সমাজ মাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তৃণমূল সমর্থকদের অনেকেই এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন এবং দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবি তুলেছেন।

অন্যদিকে বিজেপির অভিযোগ, ব্রিগেড সমাবেশকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপে তাদের নেতাকর্মীদের বাড়িতে পুলিশ তল্লাশি চালাচ্ছে। পুরাতন মালদহ পুরসভার বাচামারি এলাকায় বিজেপির কয়েকজন নেতার বাড়িতে পুলিশ অভিযান চালিয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এ বিষয়ে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, বিজেপির এই ধরনের আচরণ মানুষ মেনে নেবে না এবং আইন অনুযায়ী দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুরো বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হচ্ছে।

Advertisement