রাজ্যসভার ৩৭টি শূন্য আসনের জন্য সোমবার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত সূচি অনুযায়ী সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে এবং একই দিনে বিকেল ৫টা থেকে শুরু হবে ভোট গণনা।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, দেশের ১০টি রাজ্যের মোট ৩৭টি আসনের জন্য এই দ্বিবার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলির বর্তমান সদস্যদের মেয়াদ আগামী এপ্রিল মাসে শেষ হওয়ায় নতুন সদস্য নির্বাচনের জন্য এই ভোটগ্রহণ।
Advertisement
মহারাষ্ট্রে রয়েছে সর্বাধিক সাতটি আসন। তামিলনাড়ুতে ছয়টি, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গে পাঁচটি করে আসনে নির্বাচন হচ্ছে। এছাড়া ওড়িশায় চারটি, আসামে তিনটি এবং তেলেঙ্গানা, ছত্তিশগড় ও হরিয়ানায় দুটি করে আসনে ভোট হচ্ছে। হিমাচল প্রদেশে রয়েছে একটি আসন।
Advertisement
এই নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট আগ্রহ তৈরি হয়েছে। কারণ বহু গুরুত্বপূর্ণ নেতার মেয়াদ শেষ হতে চলেছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রামনাথ ঠাকুর ও রামদাস আঠাওয়ালে। এছাড়া রয়েছেন রাজ্যসভার উপসভাপতি হরিবংশ নারায়ণ সিংহ, শরদ পাওয়ার, উপেন্দ্র কুশওয়াহা, কংগ্রেস নেতা অভিষেক মনু সিংভি, এআইএডিএমকে নেতা এম থাম্বিদুরাই এবং ডিএমকে নেতা তিরুচি শিবা।
নির্বাচন কমিশন ভোটের জন্য বিশেষ নির্দেশও দিয়েছে। ব্যালট পেপারে ভোট দেওয়ার সময় শুধুমাত্র রিটার্নিং অফিসারের দেওয়া নির্দিষ্ট বেগুনি রঙের স্কেচ পেন ব্যবহার করতে হবে। অন্য কোনও কলম ব্যবহার করা যাবে না।
নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে যাতে পুরো ভোট প্রক্রিয়া সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হয়।
লোকসভার মতো রাজ্যসভা ভেঙে দেওয়া যায় না। এটি একটি স্থায়ী সংসদীয় কক্ষ। রাজ্যসভার সদস্যদের মেয়াদ ছয় বছর এবং প্রতি দুই বছর অন্তর এক-তৃতীয়াংশ সদস্য অবসর নেন। সেই শূন্যস্থান পূরণের জন্যই এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
Advertisement



