• facebook
  • twitter
Sunday, 15 March, 2026

বাংলায় নির্বাচন দুদফা নিয়ে ব্যাখ্যা কমিশনের

ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে, দুদফার ভোটের পরিকল্পনার পিছনে মূল লক্ষ্য হল হিংসাবিহীন নির্বাচন

প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র

ছাব্বিশে বাংলার বিধানসভা নির্বাচন দুদফায় হতে চলেছে। রবিবার দুদফায় ভোট নেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। রবিবার প্রকাশিত ভোট সূচি অনুযায়ী, প্রথম দফা অনুষ্ঠিত হবে ২৩ এপ্রিল এবং দ্বিতীয় দফা ২৯ এপ্রিল। মোট ২৯৪টি আসনের মধ্যে প্রথম দিন উত্তরবঙ্গ ও জঙ্গলমহলসহ ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ হবে, বাকি ১৪২ আসনে দ্বিতীয় দফা অনুষ্ঠিত হবে। ফলাফল প্রকাশ করা হবে আগামী ৪ মে।

একুশে বিধানসভায় ভোটগ্রহণ হয়েছিল আট দফায়। এবার ভোটের দফা কমানোর মূল কারণ নিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বলেন, কমিশন মনে করছে, ভোটে দফা কমানো সব পক্ষের জন্য সুবিধাজনক। বিশেষ করে এক বা দুই দফায় ভোটের দাবি দীর্ঘদিন ধরে করছিল বামফ্রন্ট এবং বিজেপি। তাদের আবেদনকে এবার নির্বাচনী কমিশন স্বীকৃতি দিয়েছে।

Advertisement

দফা কমানোর সঙ্গে সঙ্গে প্রশ্ন উঠছে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা কি যথেষ্ট হবে কি না। নির্বাচনী কমিশন এই বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করেছে এবং ইতিমধ্যেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। বাহিনী রুট মার্চ করে স্পর্শকাতর এলাকায় নজরদারি শুরু করেছে। কমিশন আশা করছে, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকায় ভোট হিংসাহীন হবে। স্পর্শকাতর এলাকায় এরিয়া ডমিনেশনও শুরু হয়েছে, যাতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট পরিচালনা করা যায়।

Advertisement

ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে, দুদফার ভোটের পরিকল্পনার পিছনে মূল লক্ষ্য হল হিংসাবিহীন নির্বাচন। একুশে নির্বাচনে আট দফার ভোটেও অশান্তি রোধ করা যায়নি, নিরাপত্তা বাহিনীও আক্রান্ত হয়েছে। তাই এবার নির্বাচন কমিশন বেনজির নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে আসছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী পর্যাপ্তভাবে মোতায়েন থাকায় নির্বাচনী এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে সহজ হবে।

২৩ ও ২৯ এপ্রিল ভোটের মাধ্যমে পরিষ্কার হবে, পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিবেশে কতটা শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্ভব। দফা কমানোর সঙ্গে সঙ্গেই নির্বাচনী নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে, যাতে ভোট প্রক্রিয়া যথাসম্ভব স্বচ্ছ ও হিংসাহীন হয়। এই পদক্ষেপ নির্বাচনী অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে গ্রহণ করা হয়েছে।  দুই দফার ভোটের পরিকল্পনা এবং পর্যাপ্ত নিরাপত্তার মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গে শান্তিপূর্ণ ও সফল নির্বাচন আয়োজন করা কতটা সফল হয় সেটাই এখন দেখার।

Advertisement